নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা ব্যস্ত থাকেন প্রাইভেট ক্লিনিকে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা ব্যস্ত থাকেন প্রাইভেট ক্লিনিকে

26 May 2014, 5:06:42

স্টাফ রিপোর্টার: নাঙ্গলকোট উপজেলারএকমাত্র সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নানা সমস্যা র্জজরিত। এখানে ডাক্তার সংকট থেকে শুরু করে জনবল সংকট, এক্স-রে মেশিন ও এ্যম্বুলেন্স নানা সমস্যায় জর্জরিত হয়ে জোড়াতালি দিয়ে স্বাস্থ্য সেবা। ডাক্তারের অনুপস্থিতি সহ নানা কারনে ব্যাহত হচেছ স্বাস্থ্য সেবা। নানা ভাবে রোগীরা হয়রানীর শিকার হচেছ। বিদুৎ চলে গেলে পুরো হাসপাতালে ভূতোড় এলাকায় পরিণত হয়। প্রচন্ড গরমে রোগীরা অতীষ্ট হয়ে উঠে। হাসপতালে জেনারেটর থাকলেও তেলের বাজেট না থাকায় জেনারেটরটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। দুর-দূরান্ত থেকে রোগীরা হাসপাতালে এলে হাসপাতালের ভিতরে ডাক্তার পাওয়া যায়না।

অধিকাংশ ডাক্তাররা প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখা নিয়ে ব্যস্ত। ফলে হাসপাতালের ভিতরে এক থেকে দুই জন মেডিকেল অফিসার ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যায় না। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল ডাক্তার অঞ্জন কুমার পাল কে দায়িত্ব দিলেও তিনি দিনের ১২টা পর্যন্ত বাসায় রোগী দেখেন এবং প্রত্যেক রোগীকে সেবা ডায়াগনষ্টিকের ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলেন- ২টার পর সেবা ডায়াগনষ্টিকে থাকবেন। তিনি একজন সরকারি ডাক্তার হয়ে হাসপাতালে না বসে প্রাইভেট ক্লিনিক নিয়ে ব্যস্ত। প্রেসক্রিপশনে তিনি ৬ থেকে ৭টা পরীক্ষা নিরীক্ষা ঠেকিয়ে দেন এবং সেবা ডায়াগনষ্টিকে তা করার নির্দেশ দেন। তাঁর নানা রোগের পরীক্ষার রোষানলে পড়ে এক রোগী মন্তব্য করে বলেন- ডাক্তার অঞ্জন কুমার যেন সেবা ডায়াগনষ্টিকের মার্কেটিং ম্যানেজার।

একজন ডাক্তার যখন প্রাইভেট ক্লিনিকের প্রচারপত্র ও লিপলেটের ভূমিকা পালন করেন, ঠিক তখন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ববোধের প্রশ্ন তোলেন ভুক্তভোগী রোগীরা। হাসপাতাল প্রধানের দায়িত্বহীনতার কারনে ডাক্তারেরা প্রাইভেট ক্লিনিক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এতে গরীব নিরীহ রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে প্রতারিত হচ্ছে।

অপরদিকে হাসপাতালের পিয়ন থেকে শুরু করে নার্স এবং কেরানী পর্যন্ত কমিশন ছাড়া কাজ করে না। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী জনগনের দৌরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষানাটি নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্ষেত্রে কোনভাবেই কার্যকর নেই। এই বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা লেয়াকত আলী সাংবাদিকদের বলেন- আমি ডাক্তারদেরকে নিয়মিত বলে আসছি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী দেখার জন্য। অন্যন্য অনিয়মের বিষয়ে তিনি পাশ কাটিয়ে যান।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: