শিরোনাম
◈ ক্ষমতার পতন ও অপেক্ষার মিষ্টি ফল-মহসীন ভূঁইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তাকে খাল বানিয়ে নিরুদ্দেশ ঠিকাদার! ◈ নাঙ্গলকোটের তিনটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের টিম ◈ নাঙ্গলকোটে শত বছরের পানি চলাচলের ড্রেন বন্ধ ,বাড়িঘর ভেঙ্গে ২’শ গাছ নষ্টের আশংকা ◈ পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে খরচ বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা ◈ অরুণাচল সীমান্তে বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান! চীন-ভারত সংঘাতের আশঙ্কা ◈ কুমিল্লার বিশ্বরোডে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ইউলুপ- লোটাস কামাল ◈ দুই মামলায়খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি আজ ◈ মাদকবিরোধী অভিযানএক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১ ◈ নাঙ্গলকোটে চলবে ৩ দিন ব্যাপী মাটি পরীক্ষা

নাঙ্গলকোট পৌরসদরে জলাবদ্ধতায় ৩০ পরিবারের মানবেতর জীবনযাপন

২৩ জুলাই ২০১৬, ৫:১৮:১৪

মো. আলাউদ্দিন মজুমদার::
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসদরে গত কয়েকদিনের হালকা বৃষ্টিতেই বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠ কোন ব্যবস্থা না থাকায় এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত ৩০টি পরিবার। এ বিষয়ে স্থানীয় পৌর মেয়রকে লিখিতভাবে অভিযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত কোন সুরাহা মেলেনি।
শনিবার সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নাঙ্গলকোট পৌর সদরের পুরাতন হাসপাতাল বাইপাস সড়ক সংলগ্ন এলাকা ও খাদ্যগুদাম সংলগ্ন এলাকায় পানিবন্দী হয়ে অন্তত ৩০টি পরিবারের সদস্যদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এসব পরিবারের স্কুল পড়–য়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই গত কয়েকদিন যাবত স্কুলে যেতে পারছেনা। বাড়ির উঠোন গুলো হাটুঁ পানিতে নিমজ্জিত। অনেকের ঘরে আরও দুই-তিন আগেই পানি প্রবেশ করেছে। এদিকে গত কয়েকদিন যাবত পানিবন্দী হওয়ায় পরিবারগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। 

Nkt News Pic-2
এ বিষয়ে তাজুল ইসলাম তাজু নামে এক ভূক্তভোগী জানান, আমরা আজ দীর্ঘদিন যাবত পানিবন্দী হয়ে আছি। এখানে বাইপাস সড়কের উপর দিয়ে ছাড়া পানি নিষ্কাশনের বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেই। কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি দেখেও পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ জুলাই স্থানীয় পৌর মেয়রকে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু অভিযোগ দেয়ার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অতিদ্রুত এখানকার পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। তা না হলে আর দুই-তিন দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আমাদের থাকার ঘরও হাটু পানিতে নিমজ্জিত হবে।
নাঙ্গলকোট পৌর মেয়র আবদুল মালেক জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আমি স্থানীয় কাউন্সিলর ও পৌর ইঞ্জিনিয়ারকে জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে পাঠিয়েছি। অতিদ্রুত ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: