সর্বশেষ সংবাদ
◈ রুপগঞ্জে ভলেন্টিয়ার ফর দ্যা আর্থের ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প ◈ টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন হাসানপুর স্পোর্টিং ক্লাব ◈ নাঙ্গলকোট দৌলখাঁড় ইউনিয়নে চলছে বিধবা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের শতভাগ ভাতার আওতায় আনার তথ্য সংগ্রহ ◈ বসন্তের গান-মোঃ ফজলুল করিম ◈ নাঙ্গলকোটে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত-৩ ◈ নাঙ্গলকোট থানার নবনিযুক্ত ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত ও ফুলেল শুভেচ্ছা সাংবাদিক সমিতির  ◈ ক্যান্সার আক্রান্ত ইসমাইলের চিকিৎসার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান ◈ নাঙ্গলকোটে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র প্রতিবাদ ◈ একটি শোক-সংবাদ ◈ নাঙ্গলকোটে এডুকেয়ার স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান- ২০২০ অনুষ্ঠিত

নাঙ্গলকোট ফোরকানিয়া মাদ্রাসার জায়গায় জোরপূর্বক কেজি স্কুল স্থাপন!

1 January 2020, 9:28:02

সিনিয়র রিপোর্টার

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামের পূর্ব পাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা জায়গায় কতিপয় ব্যক্তিবর্গ জোরপূর্বক কেজি স্কুল স্থাপন করে।
এ ব্যাপারে আদালতে বাপ্পি মজুমদের ইউনুস বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কান্দাল মৌজার ৯ নম্বর বিএস খতিয়ানভূক্ত ও হাল দাগ নম্বর ১৪৬৮, ভূমির পরিমাণ ১৬ শতক।

নালিশি ভূমির মূল মালিক ছিলেন আনোয়ার আলী গং।
যাহা বিগত প্রায় ৫০/৬০ বছর পূর্বে মামলার বাদী বাপ্পি মজুমদার ইউনুসের পূর্বপুরুষ।
১৯৮ নম্বর সি এস খতিয়ান এ তার নাম রয়েছে আনোয়ার আলীর। আনোয়ার আলীর মৃত্যুকালে রুস্তম আলীকে পুত্র ওয়ারিস রাখিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে মালিক দখলদার থাকিয়া রুস্তম আলীসহ অপরাপর অংশীদারগণ নালিশি ভূমিতে একটি মাদ্রাসা করার সংকল্প করিয়া অপরাপর ব্যক্তিগণের সহযোগিতায় একটি সেমি পাকা টিনসেড ঘর নির্মাণ করিয়া কান্দাল পূর্বপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা নামে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাদের উক্ত ভূমি মাদ্রাসার নামে ওয়াকফ করার সংকল্প ব্যক্ত করেন। ১৯৯১ সালে বি এস জরিপ চলাকালীন সময় নালিশি ভূমি কান্দাল পূর্বপাড়া মাদ্রাসা নামে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়।
কমিটির পক্ষে
সেক্রেটারি হিসেবে ছিলেন বাদী বাপ্পি মজুমদার ইউনুসের, জেঠা, পরবর্তীতে তার বাবা
হেদায়েতুল্লাহ মজুমদার। ফোরকানিয়া মাদ্রাসার সেক্রেটারি থাকিয়া মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছিলেন। হেদায়েতুল্লাহ বয়স ও শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিক চলাফেরা করার অসমর্থ হওয়া বিদায় ১৮/০৮/২০১৯ তারিখে তার ছেলে বাপ্পি মজুমদার ইউনুসকে সেক্রেটারি নিযুক্ত করেন।
মামলার বাদী বাপ্পি মজুমদার ইউনুস এর বাবা হেদায়েতুল্লাহ মজুমদার।
আর্থিক অভাবের কারনে ফোরকানিয়া মাদ্রাসার কার্যক্রম বন্ধ হলে ফোরকানিয়া কমিটি থেকে সাময়িক সময় নিয়ে একটি কেজি স্কুল স্হাপন করে।
ফোরকানিয়া মাদ্রাসার ভূমির উত্তর-পূর্ব কোনে বি এন পি নেতা আব্দুল হাই দুই শতক জায়গা দখল করে একটি দোকান স্থাপন করেন। এইসব অবৈধ অনিয়মের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ বাপ্পি মজুমদের ইউনুস গংরা প্রতিবাদ করলে সামাজিকভাবে উভয় পক্ষ সালিশে বসে। সালিশে কেজি স্কুলটি ২/৩ বছরের মধ্যে অন্যত্রে সরিয়ে নিবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উক্ত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও কেজি স্কুল টি না সরালে বাপ্পি মজুমদার ইউনুস আদালতে প্রতিকার চেয়ে মামলা করে।

মামলা চলা অবস্থায় অবস্থা প্রতিপক্ষ আবুল খায়ের ও হুমায়ুন কবির গং হিংস্রাত্মক মনোভাব পোষণ করে বাপ্পি মজুমদার ইউনূসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পত্রিকায় তার সুনাম ক্ষুন্ন করে সংবাদ প্রকাশ করে। এই বিষয়ে বাপ্পি মজুমদার ইউনুস বলেন, নালিশি ভূমির আমার পূর্বপুরুষগণ ১৬ শতক ভূমি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে দান করেন
। গত বিএস জরিপে
ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে খতিয়ান অন্তর্ভুক্ত হয়।
এর পক্ষে সেক্রেটারি ছিলেন আমার বাবা হেদায়েত উল্লাহ মজুমদার। বর্তমানে কেজি স্কদেুলটি আমাদের গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে আবুল খায়ের ও হুমায়ুন কবির জোরপূর্বক দখল করে তাদের পারিবারি সম্পত্তিতে পরিণত করেছে।। আমরা প্রতিবাদ করলে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে ২/৩ বছরের মধ্যে কেজি স্কুলটি সরিয়ে নিবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

কিন্তু উক্ত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও কেজি স্কুলটি সরাতে বিভিন্নভাবে গড়িমসী ও তালবাহানা করিলে আমি প্রতিকার চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হই । আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে তারা আমার সামাজিক ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য সাংবাদিকদেরকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে। যে সংবাদের সাথে আমি বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ত নই। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার আইয়ুব আলীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন আমি জানি উক্ত জায়গাটি মাদ্রাসার নামে খতিয়ানভুক্ত হয়েছে।

প্রায় ৫০ বছর পূর্বে বাপ্পি মজুমদার ইউনূসের পূর্বপুরুষগণ জায়গাটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে দান করেন। পরবর্তীতে জায়গাটি ফোরকানিয়া মাদ্রাসার নামে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়। আমি নিজেও উক্ত মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: