নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ ‘করোনা প্রতিরোধে ছাত্রলীগ নয়, সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছাত্রদল এগিয়ে’ ◈ সকালে বাবার মৃত্যু, বিকেলে ছেলের ◈ নাঙ্গলকোট সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ◈ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে গৃহীত তেরখাদায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ◈ মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ◈ সুন্দরবন থেকে হরিণের মাংস,মাথা,ও পা উদ্ধার ◈ করোনার চাইতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ধর্ষণ ◈ মরচেপড়া মানুষ ____ মোঃ মাহমুদুল হাসান কিরণ ◈ ধর্ষণ মামলার মাস হতে চললেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি আসামি ◈ বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিল গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

ব্যয় ধরা হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা....

নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম!

23 June 2020, 12:07:15

অনলাইন ডেস্ক:
সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি মডেল মসজিদ নির্মাণের বরাদ্দ আসে। যার ব্যায় ধরা হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। মসজিদটির নির্মাণ কাজ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাহের ট্রেডার্স এন্ড জেবির মালিক ও লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা মসজিদ ও মসজিদের পুকুরে মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

কাজের শুরু থেকেই নানা অনিয়ম দূণীর্তি অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রভাবশালি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে । সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে রোদে বৃষ্টিতে ভেজা মরিচা পড়া রড, নিম্নমানের মরা পাথর, স্থানীয়ভাবে উত্তেলনকৃত ড্রেজারের বালু দিয়ে কাজ করছেন শ্রমিকরা।

উপজেলার একাধিক লোকে জানা যায়, কাজের শুরুতে পাইলিং না করে কাদামাটি ভরা পুকুরে বেজমেন্টের ঢালাই দেয়। নিম্নমানের মরা পাথর, মাটি মিশ্রিত স্থানীয় ভাবে ড্রেজারের বালু রয়েছে। নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগে মসজিদটি হেলে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
সিডিউল মানছেননা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। করোনার লকডাউনের সময় গণপূর্ত বিভাগের কোন তদারকি না থাকায় তড়িঘড়ি করে লিন্টার গুলো ঢালাই দেয়। এতে অনেক স্থানে পুরাতন রড ব্যাবহারের অভিযোগ উঠে।

এ বিষয়ে কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা  কোটবাড়ী গণপূর্ত  উপ-বিভাগের প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, লকডাউনের সময় আমি না থাকায় কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। এখানে কোন খারাপ কাজ হচ্ছেনা। আপনারা সাংবাদিকরা পারলে কাজ বন্ধ করে দেন। অভিযুক্ত ঠিকাদার আবুল কাশেম বলেন, আমার কোন অনিয়ম হলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে অভিযোগ করে কাজ বন্ধ করে দেন। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, আমি গণপূর্তের প্রকৌশলীকে ডেকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: