‘না ভোটের বিধান’ চেয়ে করা রিট খারিজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচন বৈধ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

‘না ভোটের বিধান’ চেয়ে করা রিট খারিজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচন বৈধ

19 June 2014, 7:58:14

Hi_cort

 

 

 

 

 

কোনো সংসদীয় আসনে একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা-সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১৯ ধারার বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ‘না ভোটের বিধান’ সংযোজনের নির্দেশনা চেয়ে করা অপর রিটটিও আদালত খারিজ করে দেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এ বিষয়ে গতকাল বুধবার চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। এরপর আজ রায়ের তারিখ ধার্য করেন আদালত।

গতকাল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহমুদুল ইসলাম বলেন, আরপিওর ১৯ ধারা অসাংবিধানিক নয়। যেভাবে গত নির্বাচন হয়েছে, তা নীতিগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। ‘না ভোটের’ বিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালত এ বিষয়ে অভিমত দিতে পারেন, তবে নির্দেশনা দিতে পারেন না।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা-সংক্রান্ত ১৯ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার আবদুস সালামের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল দেন।

কোনো সংসদীয় আসনে একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা-সংক্রান্ত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৯ ধারা কেন সংবিধানের ৭, ১১, ২৭, ৩১ ৬৫ (২), ১২১ এবং ১২২ (১) অনুচ্ছেদ পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়।

আদালত ১২ মার্চ অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের আইনি সহায়তাকারী) হিসেবে মতামত দিতে জ্যেষ্ঠ ছয় আইনজীবীসহ সাতজনের নাম ঘোষণা করেন।

অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে আদালতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, রফিক-উল হক, আজমালুল হোসেন কিউসি, রোকনউদ্দিন মাহমুদ, মাহমুদুল ইসলাম এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার মতামত দিয়েছেন।

এর আগে গত নভেম্বরে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ‘না ভোটের বিধান’ সংযোজনের নির্দেশনা চেয়ে দুই আইনজীবী একটি রিট করেন। প্রাথমিক শুনানির পর গত ২৪ নভেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রুল দেন। রুলে ব্যালটে ‘না ভোটের বিধান’ সংযোজনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

দুটি পৃথক রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি একসঙ্গে শুনানি হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম, আবদুস সালামের পক্ষে আইনজীবী হাসান এম এস আজিম, অপর রিটের পক্ষে আইনজীবী রেদোয়ান আহমেদ শুনানিতে অংশ নেন। 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: