নিঃসঙ্গতায় | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

নিঃসঙ্গতায়

25 January 2017, 9:08:43
আল্ আমিন
 সধারণত বয়স্ক মানুষেরাই নিঃসঙ্গতায় ভুগে থাকেন। এছাড়াও যে কোন বয়সের মানুষেরাই ভুগতে পারেন  নিঃসঙ্গতায়। কিন্তু এর কারণে যে আপনার স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে তা কি আপনি জানেন? হ্যাঁ, নিঃসঙ্গতার কারণেও হতে পারে বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্য সমস্যা। আপনি বা আপনার কাছের কোন মানুষ নিঃসঙ্গতায় ভুগছেন কিনা তা বোঝার উপায় নিয়েই আমাদের আজকের এই ফিচার।
১। বাসা থেকে বের হন না
যদি দিনের বেলায় আপনার বাসা থেকে বের হতে ইচ্ছে না করে, নিয়মিত গোসল না করেন অথবা পরনের কাপড় পরিবর্তন না করেন তাহলে বুঝতে হবে যে আপনি নিঃসঙ্গতায় ভুগছেন। ইসরাইল এর মাউন্ট সিনাই বেথ এর জেরিয়াট্রিক সাইকিয়াট্রি বিভাগের প্রধান ও এমডি মেলিন্ডা ল্যান্টজ বলেন, ‘রোজ সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য তারা কোন প্রেরণা পায় না’। তিনি পরামর্শ দেন যে, যদি আপনার বাহিরে যাওয়ার মত কোন কাজ নাও থাকে তাহলেও আপনি সেভাবেই দৈনন্দিন কাজগুলো করুন যেন আপনাকে বাহিরে যেতে হবে।
২। ভালো ঘুম হয় না
নিঃসঙ্গ মানুষের মধ্যে দিনের বেলায় ঘুমানোর প্রবণতা দেখা যায়। তাই তাদের ঘুম চক্রেও পরিবর্তন হতে দেখা যায়। যারা নিজের জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট নন অথবা একঘেয়েমিতে ভোগেন তারা কখনোই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হতে পারেন না যা রিফ্রেশ হওয়ার জন্য প্রয়োজন- বলেন ডা.ল্যান্টজ। তিনি আরও বলেন, রাতে ভালো ঘুম হয়না বলে সকালে তারা ঝরঝরে অনুভব করেন না।
৩। বিষণ্ণতায় ভোগেন
বিষণ্ণতায় ভোগেন যারা তারা নিজেদেরকে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখেন। কিন্তু একাকীত্বের কারণেই মেজাজ খারাপ  থাকে এবং বিমর্ষতায় ভোগেন তারা। সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করলে অন্যরাও আপনার প্রতি যত্নবান হবেন। কিন্তু সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকলে আপনি আত্মবিশ্বাস হারাবেন এবং আপনার মনে হবে কেউ আপনাকে দাম দিচ্ছেনা। ডা. ল্যান্টজ বলেন, ‘অন্য মানুষের সাথে যোগাযোগের ঘাটতি আপনাকে কম গুরুত্বপূর্ণ, আশাহীন এবং কম সক্রিয় করে তুলবে’।
৪। উদ্বিগ্নতা দূর হয় না
নিঃসঙ্গ মানুষের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা তাদের প্রাত্যহিক উদ্বিগ্নতা বৃদ্ধি  করে। ল্যান্টজ বলেন, একাকী মানুষ প্রায়ই বিষণ্ণতার চেয়ে উদ্বিগ্নতায় ভোগার অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘তারা বিচ্ছিন্ন ও উদ্বিগ্ন অনুভব করেন এবং এই ভয়ে থাকেন যে কিছু একটা ঘটবে, তারা একা হয়ে যাবেন এবং কেউ এটা জানতেও পারবেনা’।
৫। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে যায়
উচ্চমাত্রার স্ট্রেস হরমোনের কারণে রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখাটা কঠিন হয়ে যা্য। যা  নিঃসঙ্গতার সাথে রক্তের চিনির মাত্রা বৃদ্ধির সম্পর্ককে ব্যাখ্যা করে। ডা. ল্যান্টজ বলেন, ‘যারা একাকী ও বিচ্ছিন্ন থাকেন তারা খুব বেশি নড়াচড়া করেন না বলে তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে না’।
৬। রক্তচাপ স্থিতিশীল থাকেনা
যারা ঘরের মধ্যে দীর্ঘ সময় একাকী থাকেন তাদের রক্তচাপ উঠানাম করাটা খুবই স্বাভাবিক। ডা. ল্যান্টজ বলেন, ‘আপনি নিষ্ক্রিয় থাকলে রক্তচাপ কমে যায় কিন্তু স্ট্রেস হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপকে কম স্থিতিশীল করে’। ক্রমাগত উচ্চ রক্তচাপে ভুগলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
৭। স্মৃতিশক্তি কমে যায়
ডা. ল্যান্টজ বলেন, সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার অভাবে জ্ঞানীয় দক্ষতা খুব দ্রুত কমতে থাকে। সামাজিক উদ্দীপনা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। তিনি বলেন, ‘আপনি যত কথা বলবেন আপনার মন তত বেশি কাজ করবে’।
৮। প্রায়ই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেন
আপনি যদি অনেকবেশি সময় একাকী কাটান তাহলে এই রুটিন ভাঙ্গাটা আপনার জন্য বেশ কঠিন হবে। ডা. ল্যান্টজ বলেন, ‘আপনি যত বেশি সময় আপনার গৃহে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকবেন, এটা ততই স্ব-পরিপূরক হবে’। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন মানুষ তাদের মেডিকেল অ্যাপয়েন্টমেন্ট রক্ষা করতে পারেন না।
(প্রিয়.কম)

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: