নড়াইলে বিদ্যালয়ের ভবনে রডের বদলে বাঁশ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নড়াইলে বিদ্যালয়ের ভবনে রডের বদলে বাঁশ

5 March 2017, 3:42:37

চুয়াডাঙ্গার দর্শনার পর এবার নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজে রডের বদলে বাঁশের ব্যবহার নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

 

নির্মাণ কাজে রডের বদলে বাঁশের ব্যবহারের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

 

সম্প্রতি স্কুল ভবনের ঢালাই ও প্লাস্টার খসে বাঁশের অংশবিশেষ বের হলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। বাঁশের পাশাপাশি স্কুল ভবনের ছাদসহ বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভবনের মেঝে ডেবে গেছে। আতংক আর ঝুঁকি নিয়ে ওই ভবনেই চলছে প্রায় দুই শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থীর পাঠদান।

 

এ নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর মধ্যে। তাদের ধারণা যেকোন সময় ধ্বসে পড়তে পারে ভবনটি।

 

রোববার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের ২৯নং নোয়াগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনে ফাটল ও বাঁশ বের হয়ে যাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীরা ভয়ে আসতে চাচ্ছে না বিদ্যালয়ে।

 

অভিভাবকসহ সচেতন মহল বিষয়টি তদন্ত করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, ঠিকাদার, প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কাজের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

 

জানা গেছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৬ সালে। ২০০৩-২০০৪ অর্থ বছরে বিদ্যালয়টির পুনর্নির্মান কাজের টেন্ডার হয়। “ছাপা ও নাজির” নামের দুই ব্যক্তি ঠিকাদার ছিলেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়। ভবন নির্মাণের সময় রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করেছেন তারা।

 

নাম প্রকাশ  না করার শর্তে ওই ভবন নির্মাণ কাজে নিয়োজিত প্রধান শ্রমিক বলেন, রাতে ভবনটি ঢালাইয়ের কাজ করা হয়েছে। তবে রডের পরিবর্তে বাঁশের ব্যবহার বিষয়ে সন্তোষজন জবাব দিতে পারেননি তিনি।

 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) লোহাগড়া উপজেলা প্রকৌশলী ওসমান গনির নিকট ভবন নির্মাণের দাপ্তরিক ফাইল, প্রকৌশলী ও ঠিকাদার কে ছিলেন জানতে চাইলে তিনি তথ্য না দিয়ে টালবাহানা করে কৌশলে এড়িয়ে যান।

 

প্রধান শিক্ষক কাজী রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বিদ্যালয়ের ভবনটির ছাদে ফাটল, মেঝে ডেবে যাওয়া ও ভবনের পিলারসহ কয়েক স্থানে বাঁশ বের হওয়ার ঘটনাটি সত্য। তবে এটা ভয়ের কিছু নাই। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ফাটলের স্থানগুলো সংস্কার করে ক্লাশ পরিচালনা করা হচ্ছে। বেশ আগে থেকেই ছাদ দিয়ে পানি পড়তো, সেটিও সংস্কার করা হয়েছে।

 

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এ এস সালেকিন জানান, তদন্ত করে বিষয়টির সুরাহা হওয়া উচিত। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লূৎফর রহমান বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: