বঙ্গোপসাগরের বুকে নিঝুম দ্বীপে আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি! দ্বীপ থেকে হরিণ রপ্তানী করেও বছরে ৩০কোটি টাকা আয় সম্ভব! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

বঙ্গোপসাগরের বুকে নিঝুম দ্বীপে আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি! দ্বীপ থেকে হরিণ রপ্তানী করেও বছরে ৩০কোটি টাকা আয় সম্ভব!

9 July 2014, 3:08:53

আকবর হোসেন সোহাগ ,নোয়াখালী :


বঙ্গোপসাগরের বুকে নিঝুম দ্বীপে আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি দেখা দিয়েছে। দ্বীপ থেকে হরিণ রপ্তানী করেও বছরে ৩০কোটি টাকা আয় সম্ভব।বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে উঠেছে যে নিঝুমদ্বীপ,,সেই দ্বীপে প্রায় ৪৫ হাজার একর সংরক্ষিত বন এলাকা। এরই মধ্যে সাগরের বুকজুড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ বর্গমাইল আয়তনের ভূখন্ড গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এ বছর মূল ভূখন্ডে যুক্ত হবে আরও প্রায় ২ হাজার ২ শত মাইল ভূমি। নিঝুম দ্বীপ থেকে মুক্তারিয়া ঘাটসহ কয়েকটি ক্রস ড্যাম আর প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হলে , আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ওই এলাকার আয়তন দাঁড়াবে প্রায় ১৫ হাজার বর্গমাইল।তাই এখন বঙ্গোপসাগরের বুকে দেখা দিয়েছে আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি।
নিঝুম দ্বীপ থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার হরিণ রপ্তানী করাও সম্ভব। প্রতিটি হরিণের মূল্য ২৫ হাজার টাকা ধরা হলে নিঝুম দ্বীপ থেকে বছরে প্রায় ৩০কোটি টাকা আয় হবে। তাছাড়া হরিণ রপ্তানী করা জরুরী হয়ে পড়েছে। কারণ হরিণের সংখ্যা দিনদিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হরিণ রাখার মত জায়গারও সংকট রয়েছে। নিঝুম দ্বীপের কাছাকাছি এলাকাতেও কয়েকশ বর্গমাইল নতুন চর জেগে উঠেছে এবং ডুবোচরও রয়েছে। নিঝুমদ্বীপের দক্ষিণে ৪০-৫০ মাইল জুড়ে ভাটার সময় বড় বড় চরভূমির অস্তিত্ব রয়েছে। যে চরগুলো জেগে উঠেছে , সেখানে এখন বসবাস উপযোগী ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব। নেদারল্যান্ডস সরকারের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত ইডিপির এক জরিপ সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সাল পর্যন্ত শুধু নোয়াখালী উপকূলেই সাড়ে ৯ বর্গমাইল ভূমি জেগে ওঠে এবং ২০২০ সাল পর্যন্ত আরো দুই-তিনগুণ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু এ চরগুলো পরিকল্পিতভাবে স্থায়িত্ব দিতে সরকারি উদ্যোগ তেমন দেখা যায়না। বিষয়টি শীর্ষ পর্যায়ে অগ্রাধিকারভিত্তিক গুরুত্ব পাচ্ছেনা। সমুদ্র-বক্ষে সম্ভাবনার বিশাল আশীর্বাদ এসব ভূখন্ড পরিকল্পিত ব্যবহার, বনায়ন ও সংরক্ষণে সমন্বিত কার্যক্রম নেওয়া হয়নি এখনো। নিঝুম দ্বীপে দীর্ঘদিন ধরে শুধুই ‘ডোবা চর’ হিসেবে পরিচিত এ চরগুলোতে এখন জনবসতিও গড়ে উঠেছে। একই ধরনের আরও প্রায় ২০টি ‘নতুর চর’ এখন স্থায়িত্ব পেতে চলেছে। বঙ্গোপসাগরে দুই-তিন বছর ধরে জেগে থাকা এসব দ্বীপখন্ড ভরা জোয়ারেও ডুবাতে পারছে না। বিশেষজ্ঞদের অভিমত , শীঘ্রই বাংলাদেশের মানচিত্রে নতুন ভূখন্ড  হিসেবে ১৫/২০টি দ্বীপ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

এ দ্বীপে গড়ে উঠেছে বসতি ও বনায়ন। এছাড়া হাতিয়ার পশ্চিমপাশে ঢালচর, মৌলভীর চর, তমরুদ্দির চর, জাগলার চর, উত্তরে নলের চর, কেয়ারিং চর, ইসলাম চর, জাহাজ্জের চর, নঙ্গলীয়ার চর, সাহেব আলীর চর, দক্ষিণে কালাম চর, রাস্তার চরসহ অন্তত ১৫টি দ্বীপ ১৫/২০ বছর আগ থেকে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে উঠেছে। যে মুহুর্তে জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের সিংহভাগ ভূখন্ড সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, ঠিক সে মুহুর্তেই দেশের এই অভাবনীয় সম্ভাবনা জনমনে সীমাহীন আশা জাগিয়েছে। এগুলোর মধ্যেও নিঝুম দ্বীপে ৭০ হাজার লোকের বসবাস। এছাড়া ঢাল চর, নলের চর, কেয়ারিং চর, মৌলভির চরসহ কয়েকটি দ্বীপে জনবসতি গড়ে উঠেছে । একইভাবে বনবিভাগ আবাদ করে সবুজ বনায়ন করেছে। দস্যুদের ভয়ে ও বাকীগুলোতে এখনও বসবাস শুরু হয়নি। এখনও অন্তত ৪০/৫০টি ডুবোচর রয়েছে , যা হয়তো আগামী ৫/৭ বছরের মধ্যেও জেগে উঠার অপেক্ষায় রয়েছে। ভাটায় দেখা গেলেও জোয়ারের পানিতে এখনও ডুবে যায়।


নিঝুম দ্বীপে প্রায় ৪৫ হাজার একর সংরক্ষিত বন এলাকা। এরই মধ্যে সাগরের বুকজুড়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ বর্গ মাইল আয়তনের ভূখন্ড গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। এ বছর যুক্ত হবে আরও প্রায় ২ হাজার ২ শত মাইল ভূমি। নিঝুম দ্বীপ থেকে মুক্তারিয়া ঘাটসহ কয়েকটি ক্রস ড্যাম আর প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হলে , আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ওই এলাকার আয়তন দাঁড়াবে প্রায় ১৫ হাজার বর্গমাইল। বঙ্গোপসাগরের বুকে দেখা দিয়েছে আরেকটি বাংলাদেশের হাতছানি।


বিশেষজ্ঞদের ধারনা নঙ্গলীয়া এলাকায় নতুন চর জেগে মেঘনা মোহনা জুড়ে বড় বড় আয়তনের নতুন যে ভূখন্ড দেখা গেছে এবং সেসব চরে উড়ি ঘাস গজাতেও শুরু করেছে। নিঝুম দ্বীপ থেকে মুক্তারিয়ার ঘাট, উড়ির চর থেকে জাহাজ্জার চর পর্যন্ত ক্রসবাঁধ নির্মাণ করে এ মুহুর্তে অনেক ভূমি উদ্ধার করা সম্ভব। হাতিয়া-নিঝুমদ্বীপ-ধমারচর ক্রসবাঁধের মাধ্যমে মূল স্থলভূমির সঙ্গে সংযুক্ত করার খুবই চমৎকার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এতে অচিরেই অবিচ্ছিন্ন ভূখন্ড মিলবে।


সাগর বুকে ভূমি উদ্ধার ও ব্যবস্থাপনার জন্য যেসব প্রযুক্তির প্রয়োজন, সেগুলো বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে উদ্ভাবনও করেছেন। যে মুহুর্তে জলবায়ুর পরিবর্তন জনিত বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের সিংহভাগ ভূখন্ড সমুদ্রের তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে, ঠিক সে মুহুর্তেই দেশের এই অভাবনীয় সম্ভাবনা জনমনে সীমাহীন আশা জাগিয়েছে।
কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্টে অন্তত ২০ বর্গমাইল নতুন চর জেগে উঠে। আশির দশকের শেষভাগ থেকে জেগে ওঠা চরভূমির পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বেড়ে উঠতে দেখা যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মেঘনা মোহনা সমীক্ষায়ও এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়। পাউবো সমীক্ষায় বলা হয়, নদী ভাঙা-গড়ার খেলায় ভূমিপ্রাপ্তির হারই বেশি।
সাম্প্রতিক সময়ে নোয়াখালীর উপকূলেই সবচেয়ে বেশি ভূখন্ড জেগে উঠছে। ইতোমধ্যে ক্রসবাঁধ পদ্ধতিতেও বঙ্গোপসাগর থেকে লক্ষাধিক হেক্টর জমি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় এক হাজার বর্গমাইল আয়তনের নতুন ভূখন্ড পাওয়া গেছে। আরও কয়েকটি ক্রসবাঁধের মাধ্যমে নোয়াখালীর সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ সন্দ্বীপের সংযুক্তির সম্ভাব্যতা নিয়েও এখন গবেষণা চলছে। এটা সম্ভব হলে যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হবে। অপরদিকে বন বিভাগের অবহেলায়  নিঝুম দ্বীপে ৩০ হাজার হরিণের অস্তিত্ব হুমকির মুখে বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে গাছ উজাড় করছে দস্যু ও জনপ্রতিনিধিরা। নোয়াখালীর উপকূলীয় হাতিয়া উপজেলার বঙ্গোপসাগরের উপকণ্ঠে নিঝুম দ্বীপে সরকারী বন বিভাগের উদ্যোগের অভাবে ও অযতœ-অবহেলায় প্রায় ৩০ হাজার হরিণের অস্তিত্ব এখন বিলীন হওয়ার পথে। সেখানে আবাসন, খাদ্য সংকট, অকারণে শিকার, বন্যা, কুকুরের আক্রমণ ও পানীয়জলের অভাব প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। দুই বছর আগে নিঝুম দ্বীপে বিস্তীর্ণ বনে ফসলের মাঠে রাস্তাঘাট ও লোকালয়ে দেখা যেত মায়াবী হরিণের পাল। নিঝুম দ্বীপ রেঞ্জ কর্মকর্তা জাবের হোসেন বলেন, যাবতীয় সমস্যার সমাধান করা গেলে এখান থেকে প্রতি বছর  প্রায় ২০ হাজার হরিণ রপ্তানী করা সম্ভব। প্রতিটি হরিণের মূল্য ২৫ হাজার টাকা ধরা হলে নিঝুম দ্বীপ থেকে প্রায় ৩০কোটি টাকা আয় হবে। তাছাড়া হরিণ রপ্তানী করা জরুরী হয়ে পড়েছে। কারণ হরিণের সংখ্যা দিনদিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। হরিণ রাখার মত জায়গারও সংকট রয়েছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, একদিকে বনের আশপাশের খালি জমিতে ভূমিহীনদের বসবাস , অন্যদিকে স্থানীয় দস্যু ও জনপ্রতিনিধিরা বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে বাগানের গাছ অবাধে কেটে পাচার করছে । এ জন্য হরিণের অবাধ বিচরণে সমস্যা হচ্ছে। এতে বনের আয়তনও কমে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য। সেই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান মায়াবী চিত্রা হরিণ। হরিণ রপ্তানীর ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পরও কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ওই এলাকায় প্রতিদিন বনদস্যু কর্তৃক বনের গাছ উজাড় করা হচ্ছে। এতে হরিণের খাদ্য সংকট চরম আকার ধারণ করছে। লবণাক্ত পানির কারণে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন রোগব্যাধি। গত কয়েক মাস আগে ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছাসের কারণে অনেক হরিণ বঙ্গোপসাগরে ভেসে যায়। প্রশাসনিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্বীপের ২৫ হাজার হরিণের জন্য একটি মাত্র মিঠা পানির পুকুরের ব্যবস্থা থাকলেও সেখানে পানি না থাকায় হরিণগুলো প্রায়ই চলে আসে লোকালয়ে। তাছাড়া বনের পর্যটকদের অবাধ বিচরণ খাদ্যের অভাব, রোগাক্রান্ত হওয়া, বন্যা-ঘুর্ণিঝড়ের আঘাত, পাগলা কুকুরের আক্রমণ ও প্রভাবশালীদের শিকারের কারণে হরিণগুলোর বেঁচে থাকা হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া দ্বীপের দক্ষিণ পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের মুখে বিশাল বালুচরে হরিণের চারণভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইদানিং বনদস্যুরা ওই খালি জায়গা দখলে নেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এ জায়গা বন্দোবস্ত দেওয়া হলে আর হরিণ থাকবেনা বলে দ্বীপবাসীরা জানান। এসব হরিণের চিকিৎসার জন্য বন বিভাগের নেই কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, নেই কোনো পশু হাসপাতালও।


হাতিয়া উপজেলা সদর ওঁছখালীতে নিয়ে হরিণের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। দূর্যোগ মুহুর্তে হরিণের আশ্রয় নেওয়ার মতো দ্বীপে কোনো মাটির কিল্লা নেই। হাতিয়া উপজেলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বঙ্গোপসাগরের উপকণ্ঠে প্রায় দু’হাজার একশ বর্গ কি.মি. ভূমির উপর বেড়ে ওঠা নিঝুম দ্বীপে ১৯৭৩ সালে জনবসতি শুরু হয়। ওখানে কেওড়া গাছ, বাঈন গাছ, কেরপা গাছবেষ্টিত। এ দ্বীপটিতে হরিণের বিচরণ হয় ১৯৭৮ সালে । তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছেড়ে দেওয়া ৪ জোড়া হরিণের মাধ্যমে শুরু হয় হরিণ চাষ । বর্তমানে বসবাস করছে প্রায় ২৫ হাজার হরিণ। বছরের দু’বার করে মা-হরিণেরা চারটি করে বাচ্চা দিয়ে থাকে।  মা- হরিণের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে দস্যু ও ২/৩ জন ইউপি সদস্য বনবিভাগের গাছ কেটে উজাড় করছে। এতে হরিণ বিচরনের সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে খালি জায়গা বন-কর্মকর্তাদের মাধ্যমে দস্যুরা ভূমিহীনদের নিকট দখল বিক্রি করছে।
এ ব্যাপারে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, বনের ভিতরে ৪টি বড় পুকুর খনন করা হয়েছে। বড় সমস্যা আশপাশের খালি জমিগুলো ভূমিদস্যুরা দখল করে ফেলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চেষ্টা চলছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: