বাগেরহাটে স্ত্রীসহ দুই জনকে হ্যতার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড | Amader Nangalkot
শিরোনাম...
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ জমকালো আয়োজনে বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র ওমান শাখার কমিটি গঠন ◈ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার কমিটিতে ভোলাকোটের দুই রতন ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

For Advertisement

বাগেরহাটে স্ত্রীসহ দুই জনকে হ্যতার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদন্ড

4 June 2017, 5:32:38

বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্ত্রী ও এক মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যার দায়ে আবুল কালাম (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। হত্যাকান্ডের প্রায় ১৬ বছর পর রোববার দুপুরে বাগেরহাটের জেলা ও দায়রা জজ আদালত দুই এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন। দ-প্রাপ্ত আবুল কালামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছে আদালত। আসামি পলাতক থাকায় বিচারক তার অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্ত আবুল কালাম মোরেলগঞ্জ উপজেলার গুলিশাখালী গ্রামের আব্দুল জব্বার হাওলাদারের ছেলে।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শরৎচন্দ্র মজুমদার বলেন, গুলিশাখালী গ্রামের মো. আবুল বাশারত হাওলাদারের ছেলে মশিউর রহমান এই গ্রামের আবুল কালামের বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করত। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর রাতে আবুল কালাম তার স্ত্রী সুলতানা ইয়াসমিনকে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে। এ সময়ে ঘরে থাকা মশিউর তা দেখে ঠেকাতে গেলে গৃহকর্তা আবুল কালাম দা দিয়ে তার মাথা ও ঘাড়ে কোপ দেয়। এতে আবুল কালামের স্ত্রী সুলতানা ইয়াসমিন (২৫) এবং ওই বাড়িতে থেকে স্থানীয় গুলিশাখালী হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়া মশিউর রহমান (১২) ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার রাতেই আবুল কালাম তার শিশু কন্যাকে (৩) নিয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন তার বাবা ও ভাইয়েরা মিলে তার স্ত্রী এবং ওই মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা করেছে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আবুল কালামের শিশু সন্তান পুলিশকে বলে তার বাবা তার মাকে হত্যা করেছে। ওই শিশুর ভাষ্য অনুয়ায়ী পরদিন সকালে হত্যায় ব্যবহার করা ধারালো দা’টিও উদ্ধার হয়।

তখন পুলিশ আবুল কালামকে আটক করে। ওই হত্যার ঘটনায় ৭ অক্টোবর মশিউরের বাবা আবুল বাশার বাদি হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক ওই বছরের ১০ ডিসেম্বর আবুল কালামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শরৎচন্দ্র মজুমদার আরো বলেন, মূলত বাবা ও ভাইদের সঙ্গে জমি-জমা সংক্রন্ত  বিরোধ থাকায় তাদের ফাঁসাতে স্ত্রীকে হত্যা করে আবুল কালাম। ঘটনার পর সে গ্রেপ্তার হলেও জামিন পাওয়ার পর থেকে আবুল কালাম পলাতক রয়েছেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে বিচারক ১৩ জন্যের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষ এ রায় প্রদান করেন।

 

For Advertisement

Unauthorized use of news, image, information, etc published by Amader Nangalkot is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.

Comments: