শিরোনাম
◈ ক্ষমতার পতন ও অপেক্ষার মিষ্টি ফল-মহসীন ভূঁইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তাকে খাল বানিয়ে নিরুদ্দেশ ঠিকাদার! ◈ নাঙ্গলকোটের তিনটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের টিম ◈ নাঙ্গলকোটে শত বছরের পানি চলাচলের ড্রেন বন্ধ ,বাড়িঘর ভেঙ্গে ২’শ গাছ নষ্টের আশংকা ◈ পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে খরচ বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা ◈ অরুণাচল সীমান্তে বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান! চীন-ভারত সংঘাতের আশঙ্কা ◈ কুমিল্লার বিশ্বরোডে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ইউলুপ- লোটাস কামাল ◈ দুই মামলায়খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি আজ ◈ মাদকবিরোধী অভিযানএক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১ ◈ নাঙ্গলকোটে চলবে ৩ দিন ব্যাপী মাটি পরীক্ষা

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস ও কিছু কথা-আজিম উল্যাহ হানিফ

১৫ মে ২০১৮, ৮:৫৬:৪০

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস একটি নাম, একটি আর্দেশ প্রতিক, হাজারো তরুনের স্বপ্নদ্রষ্টা। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখাড় ইউনিয়নের কান্দাল গ্রামের সন্তান। গ্রামের আরো আটদশজন যুবক-তরুনের মত সাদাসিধে ও সাদা মনের একজন মানুষ। স্কুল জীবন থেকেই সামাজিক কাজে নিজেকে জড়িয়েছেন- ছোট বেলা থেকেই লেখালেখির হাত, অনেক শ্রম আর কষ্টের মধ্য দিয়ে এই জায়গায় এসে পৌছিয়েছেন। আমার সমবয়সী একজন তরুন। ভার্সিটি জীবনে আমার সহপাঠী, সহযোদ্ধা। একসাথে দীর্ঘদিন চলাফেরা আড্ডা দিয়েছি। একসাথে কেটেছে। খেয়েছি ও ঘুমিয়েছি। দৈনিক আমাদের নাঙ্গলকোট ডট কম নামে একটি অনলাইন পত্রিকা সম্পাদনা করেন, সম্পাদনা করেন ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রমিতির। দীর্ঘ ৮-৯ বছর সম্পাদনা করেন বলে অনেকের সাথেই তার উঠাবসা ও পরিচয়। সেই সাথে অনলাইন সম্পাদনা করতে গিয়ে তার ইমেইলে যায় দেশের নানান দলের নানান নিউজ থেকে শুরু করে সামাজিক-সাংস্কৃতিক-সাহিত্য-অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের খবরাখবর। নিরপেক্ষ নিউজ পরিবেশন করতে গিয়ে অনেকসময় রক্ষচক্ষুর রোসানলেও পড়তে হয়,এটাই সকল সাংবাদিক ও সম্পাদকদের জানা। তবে বেশকিছুদিন যাবত আমার এই প্রিয় সহপাঠীর নামে ফেসবুকে তাকে নিয়ে যে লেখালেখি হচ্ছে,তা মেনে নেওয়ার মত নয়। আমরা সাংবাদিক মহল এ বিষয়টি সহজ ভাবে নিতে পারছিনা। ফেক আইডি ব্যবহার করে উনাকে হয়রানিকারীরা শান্তচিষ্ট নাঙ্গলকোট এর পরিবেশ নষ্ট করছেন।
কেননা দীর্ঘ পথচলায় আমি তাকে কখনো রাজনীতিতে মিশতে দেখিনি। কোন দলকে বিশেষভাবে সার্পোট করতে দেখিনি। নিরপেক্ষ, স্বাধীন চেতা ও সাহসী লেখক হিসেবেই পরিচিত। কেননা নাঙ্গলকোট বলেন আর কুমিল্লা জেলা বলেন আমরা এক ঝাঁক তরুনই এই লেখালেখি অঙ্গনে আছি। এর মধ্যে অনন্য বাপ্পি মজুমদার ইউনুস।

নাঙ্গলকোটকে সাড়া বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন, নাঙ্গলকোটে কোথায় কি হচ্ছে প্রতিমূহতেই সবার সামনে তুলে ধরেন, উন্নয়ন প্রয়োজন এমন অঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে তা মিডিয়া ও প্রশাসনকে অবহিত করেছেন, উনার হাত ধরে নাঙ্গলকোটে অনেক উন্নয়ন হয়েছে, তিনি আর কেউ নয় তিনিই বাপ্পি মজুমদার ইউনুস- দীর্ঘ সময় ধরে তিনি লিখে আসছেন নাঙ্গলকোট’র সমসাময়িক বিষয় নিয়ে- কেউ কোন দিন উনার বিরুদ্ধে বাজে কোন মন্তব্য করেননি, আমরা যারা উনার সাথে ফেসবুকে আছি আমরা কখনো দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে উনার কোন কলাম দেখিনি- তিনি নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশ ও নাঙ্গলকোট সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক লোক, উনি বাংলাদেশ কবি ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি, প্রবাসের আলো নামে একটি সংগঠন করে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধা বঞ্চিত লোকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের জেলা ব্যুরো চীফ, সাবেক ডিএম টেলিভিশনের জেলা ব্যুরো প্রদান ছিলেন। তিনি যদি রাজনীতি করতেন তাহলে সে অনেক উপড়ে উঠতে ও তার কোন না কোন পদ পদবি থাকতো কিন্তু না তিনি তা করেননি, তিনি সকল দলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলার চেষ্টা করেছেন, চেষ্টা করেছেন নাঙ্গলকোটের রাজনীতিকে শান্ত রাখার।

আমি মনে করি উনার নামে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে কুৎসা রটনা করা লোকদের চিহিৃত করা হোক। ওদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হোক। নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের পক্ষে থেকে আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক তথা অন্যতম মিডিয়া হিসেবে কাজ করছে ফেসবুক। এটির মাধ্যমে ভাল মন্দ অনেক কিছুই সেকেন্ড তথা মিনিটেই উঠে আসে। কেউ বিশ্বাস করে আবার কেউ করে না এই মিডিয়াকে। সো, ফেইসবুককে সদা সুস্থ ও সুন্দর রাখতে এখনই সজাগ দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

আর একটি অনলাইন সম্পাদনা করতে গিয়ে নানান দলের হুমকি ও দমকির মুখোমুখি পড়তেই হবে,এটাই স্বাভাবিক। তবে আমার কথা হবে এভাবে ফেসবুকে না লিখে সরাসরি বললে বা ফোন করেও মীমাংসা করা যেতে হবে। কিন্তু কেউ কাউকে ফেসবুকে লিখে হেনস্তা করার কি প্রয়োজন। প্রশ্ন রাখলাম নাঙ্গলকোটের রাজনীতিক বোদ্ধাদের প্রতি।

শেষকথা এইটুকুই বলবো যিনি নাঙ্গলকোটর জন্য এতো কিছু করলেন তাকে বাহ-বাহ না দিয়ে উনার নামে কুৎসাহ রটাচ্ছেন! তাহলে এই নোংরামির শেষ কোথায় বলুন? ফেক আইডি ব্যবহার করে চাইলে অনেকেই এমন করতে পারে কিন্তু ভেবে দেখুন এটি করে আপনি সাময়িক আনন্দ পাবেন কিন্তু মহান আল্লাহ আপনাকে ছাড়বে না।

 

আজিম উল্যাহ হানিফ
লেখক-কবি-সাংবাদিক, সমাজকর্মী।
১৫.০৫.২০১৮

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: