বিএনপির তিন নেতা এক হলে বেকায়দায় পড়বেন এমপি লোটাস কামাল! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

বিএনপির তিন নেতা এক হলে বেকায়দায় পড়বেন এমপি লোটাস কামাল!

8 June 2014, 8:04:44

Lotas kamal.4

 

 

 

 

 

 

আমাদের নাঙ্গলকোট ডেস্ক: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা ও সদর দক্ষিণ উপজেলা একীভূত করে সংসদীয় আসন পুনর্গঠনে ওই দুটি উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-১০ আসন হওয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা খুব বেশি উল্লসিত হয়েছেন। অন্যদিকে সীমানা পুনর্গঠনের বিষয়টি সহজভাবে মানতে পারছেন না ওই আসনের বর্তমান এমপি আ হ ম মুস্তাফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল। তিনি আগের সীমানা বহাল চেয়ে হাইকোর্টে মামলাও করেছেন।

 

আর মামলা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়া ও নাঙ্গলকোট বিএনপির সভাপতি মোবাশ্বর আলম ভূঁইয়া। বিএনপির ওই নেতাদের নিশ্চিত ধারণা, পুনর্গঠন হওয়া আসনে নির্বাচন করলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী লোটাস কামাল পরাজিত হবেন। তাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভয়ে লোটাস কামাল আগের সীমানা বহাল চেয়েছেন।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনের নাঙ্গলকোট উপজেলা আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামালের জন্য নতুন এলাকা সত্ত্বেও বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে বিএনপি প্রার্থী মোবাশ্বর আলম ভূঁইয়াকে পরাজিত করে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। আসনটি মূলত নাঙ্গলকোটের আসন হিসেবে পরিচিত হলেও ওয়ান-ইলেভেনের সময়ে শামসুর হুদার কমিশন সীমানা পুনর্নির্ধারণে নাঙ্গলকোট উপজেলার সঙ্গে সদর দক্ষিণ উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন যুক্ত করে কুমিল্লা-১০ আসন গঠন করে।

গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে আসন পুনর্বিন্যাসের খসড়া তালিকায় নাঙ্গলকোট উপজেলা নিয়ে সতন্ত্র সংসদীয় আসন কুমিল্লা-১০ গঠনের প্রস্তাব করেছিল নির্বাচন কমিশন। গত ৩ জুলাই নির্বাচন কমিশন কুমিল্লার চারটি আসনের সীমানা সংযোজন বিয়োজন করে পরিবর্তন আনেন। এরমধ্যে নাঙ্গলকোট উপজেলাকে এবং সদর দক্ষিণ উপজেলাকে কুমিল্লা-১০ আসনে একীভূত করা হয়।

দুই উপজেলা মিলে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত তালিকায় কুমিল্লা-১০ আসন গঠন হওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বয়েছে। যদিও সদর দক্ষিণের বিএনপির অভিভাবক সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরী, নাঙ্গলকোটের সাবেক এমপি গফুর ভূঁইয়া ও গতবারের নির্বাচনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আগামী নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী হওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন।

তবে গফুর ভূঁইয়া ও মোবাশ্বের ভূঁইয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব এখনো প্রকট আকার ধারণ করে রয়েছে। অন্যদিকে দলীয় হাইকমান্ডে মনির চৌধুরীর রয়েছে সুনাম। প্রার্থিতা নিয়ে ওই তিনজন সমঝোতায় পৌঁছতে পারলে আগামী নির্বাচনে বেকায়দায় পড়তে পারেন আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি লোটাস কামাল। 

লোটাস কামাল সদর দক্ষিণের বাসিন্দা হলেও তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মনির চৌধুরী সদর দক্ষিণ উপজেলায় গত সাড়ে পাঁচ বছরে সেখানকার বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নানা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। সদর দক্ষিণে লোটাস কামালের ভোটব্যাংকে আঘাত হানার জনসমর্থন অর্জন করেছেন।
 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: