শিরোনাম
◈ ক্ষমতার পতন ও অপেক্ষার মিষ্টি ফল-মহসীন ভূঁইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তাকে খাল বানিয়ে নিরুদ্দেশ ঠিকাদার! ◈ নাঙ্গলকোটের তিনটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের টিম ◈ নাঙ্গলকোটে শত বছরের পানি চলাচলের ড্রেন বন্ধ ,বাড়িঘর ভেঙ্গে ২’শ গাছ নষ্টের আশংকা ◈ পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে খরচ বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা ◈ অরুণাচল সীমান্তে বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান! চীন-ভারত সংঘাতের আশঙ্কা ◈ কুমিল্লার বিশ্বরোডে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ইউলুপ- লোটাস কামাল ◈ দুই মামলায়খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি আজ ◈ মাদকবিরোধী অভিযানএক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১ ◈ নাঙ্গলকোটে চলবে ৩ দিন ব্যাপী মাটি পরীক্ষা

বেতাগায় এক শিষে হাজার দানার ধান

১০ মে ২০১৮, ৯:৪৫:১৩

ফকিরহাট প্রতিনিধিঃ
ফকিরহাট উপজেলা বেতাগায় উৎভাবিত একটি শিষে হাজারি দানার ধান উপকুলিয় চাষিদের নতুন সপ্ন দেখাতে শুরু করেছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদিপ মন্ডলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ধান ক্ষেতে ৩বছর আগে প্রাপ্ত প্রতি হেক্টরে ১১টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন বিশেষ ৩টি ধানের শিষে বদলে গেছে চুকুলি গ্রামের কৃষানির ভাগ্য। পশুর নদীর তটবর্তী জমিতে লবণ সহনশিল এ ধানের ব্যপক ফলন হওয়ায় উপকুলের চাষিদের মাঝে সাড়া জেগেছে। সরেজমিনে অনুসন্ধান কালে ফাতেমা বেগম জানান, ২০১৫-১৬মৌসুমে ধান ক্ষেত এক গুছিতে ৩ টি ছড়া(শিষ) পাওয়া যায়।

বিষয়টি উপ সহকারি কৃষি অফিসার প্রদিপ মন্ডলকে জানালে তিনি ছড়া ৩ টি সংরক্ষণের পরামর্শ দেন। পরবর্তী মৌসুমে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কৃষানীর পুত্র লেবুয়াত ধানের চারা রোপন করে ২.৫ কেজি বীজ ধান সংগ্রহ করেন। যা ১শতক জমিতে বীজ বপন করে ২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রায় ৫০ শতক জমিতে ধান চারা রোপন করা হয়। সাধারণ দেশীয় জাতের ধানের মত করে এটি চাষ করা হয়। ৫০শতক জমি চাষ করতে মোট খরচ হয় ১২ হাজার টাকা। ধান কেটেই বীজ বিক্রি করা হচ্ছে।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদিপ মন্ডল জানান, ফাতেমা বেগমের জমিতে উৎপাদিত ধান গাছের প্রতিটির দৈঘ্য ১১৫-১৩০ সেমি, টিলারের(পোট) সংখ্যা গড়ে ৮ টি, ধানের শিষ বা ছড়ার দৈঘ্য ৩৬সেমি/১৪ ইি , দানার সংখ্যা ৯/১১শ’টি, পাতার দৈঘ্য ৮৮ সেমি, চওড়া ১.৫ইি , কান্ড দেখতে প্রায় আখ গাছের মত, হেক্টর প্রতি গড়ে ফলন হয়েছে ১১ টন। পশুর নেদীর লবণ পানি এ অ লে প্রবাহিত হওয়ায় লবন সহনশীল জাত বলে এটিকে ধারনা করা হচ্ছে।

এটা ফকিরহাটে তথা উপকুলিয় জেলার জন্য আর্শীবাদ। কৃষানীর পুত্র লেবুয়াত বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন দাশের দিক নির্দেশনায় কৃষি সংক্রান্ত স্ট্যান্ডিং কমিটির নেতৃত্বে স্থানীয় চাষিরা চাষাবাদ সম্পর্কে অনেক সচেতন হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের ভাগ্যে সাফল্য ধরা দিয়েছে। ধান কাটা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে চাষিরা নতুন এ ধানের ফলন দেখে ৪শ টাকা দরে বীজ সংগ্রহ করছে। ইতমধ্যে তিনের এক ভাগ ধান কেটে প্রায় ৩লক্ষ টাকার বীজ ধান বিক্রি হয়েছে। আরও ৬লক্ষ টাকার বীজ ধান বিক্রি হবে বলে তিনি ধারনা করছেন। ডুমুরিয়া উপজেলা রঘুনাথ পুরের মিল্টন বিশ্বাস, উজ্বল মন্ডল, অজয় বারই, রামপালের রসুল, মায়া বিবি, মোংলা হলদি বুনিয়ার কামরুল, আশিক জানান, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এ ধানের খরব পেয়ে আমরা দেখতে আসি। ধান গাছ ও প্রতিটি গাছে দিগুন ফলন দেখে আমরা হতবাক। তাই আমরা বীজ সংগ্রহ করছি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: