ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর স্নেহভাজন জমিলার খবর কেউ রাখে না! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

ভাসানী ও সোহরাওয়ার্দীর স্নেহভাজন জমিলার খবর কেউ রাখে না!

2 September 2016, 9:49:36

আজিম উল্যাহ হানিফ:
মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহভাজন জমিলা খাতুনের খবর কেউ রাখে না। যুগের পরিবতর্নে সময়ের ব্যবধানে আসা যাওয়ার পৃথিবীতে বৃটিশ আমল পেরিয়ে মাঝখানে পাকিস্তান আমলের বহু কালের স্বাী যে মহিয়সী নারী গ্রামের গৃহবধূ জমিলা এখনো বেচে আছে নাকি মারা গেছেন কেউ বলতে পারে না। অথচ এই জমিলার বাড়ি চাদঁপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার শাহরাস্তি পৌরসভার কাজীর কামতা গ্রামের আশে পাশেই বৃটিশ বিরোধীসহ নানান আন্দোলন সংগ্রামসহ ১৯০৫-০৬ সালের দিকে বঙ্গবঙ্গ, মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ নানান স্মৃতি নিয়ে দীর্ঘ ১৪০ ধরে বেচে আছে জমিলা খাতুন নামে মহিলাটি।
ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেন জানান, জমিলা খাতুন এখনো স্পষ্ট কথা বলতে পারেন, এখনো স্মৃতি হাতরিয়ে নানান কথা বলতে পারেন। তিনি গত শতাব্দীর শুরু থেকে ৯০ দশক পর্যন্ত দীর্ঘ ১০০ বছরের স্মৃতি অকপটে বলতে পারেন। বলতে গিয়ে তিনি অঝোরে কান্না ও করেন। কেননা তিনি তার আদরের সন্তানকে যুদ্ধে হারিয়েছেন। তার ৮ সন্তানের মধ্যে ৪ সন্তানই মারা গেছে। স্বামী রনজন আলী মারা গেছে প্রায় ৫০ বছর আগে পাকিস্তান পিরিয়ডে। বর্তমানে যে ৪ সন্তান জীবিত আছে তারা ও আছে প্রায় বৃদ্ধ অবস্থায়। তাদের ও বয়স প্রায় ৭০ এর উপরে। তারা আছে তাদের পরিবার,সন্তান ও সন্ততি নিয়ে ব্যস্থ। ৮ সন্তানের এক সন্তান আরফতের নেছা ভিা করে যা উর্পাজন হয়,তা দিয়ে মা মেয়ে কোনরকম চলে। এছাড়া ও তিনি বিধবা ভাতাসহ কয়েক ধরনের ভাতা পান । কিন্তু এই জমিলা পাইনি পরিবার, সমাজ, রাস্ট্র থেকে কোন ধরনের স্বীকৃতি। এলাকাবাসী ও জানে না এই জমিলা খাতুন কে? অথচ এই জমিলা খাতুনসহ বেশ কয়েকজন গৃহবধু ছিল তৎকালীন সময়ে বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের সহযোগী। এদের নিরাপত্তা, এদের আশ্রয়, এদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতেন তাদেরই একজন জমিলা। অথচ বর্তমানে তার একচালা একটি ঘর। তার মধ্যে একটি ভাঙ্গাচোরা চৌকিতে কোনরকম জীবনযাপন করেন তিনি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: