মাগফিরাতের দশ দিন | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / ধর্ম / বিস্তারিত

মাগফিরাতের দশ দিন

10 June 2017, 6:54:50
আজ ১৪ রমজানুল মোবারক ১৪৩৮ হিজরী। তারা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, ন্যায় ও সৎকাজের আদেশ করে, অন্যায় ও পাপ কাজ থেকে লোকদের বিরত রাখে এবং কল্যাণকর কাজসমূহের প্রতি তৎপর থাকে, এরাই পুণ্যবান লোক। আর যে ভালো কাজই তারা করবে, তাদের সে কাজকে কখনো অসম্মান করা হবে না। আর আল্লাহ তো মুত্তাকীদের খুব ভাল করে জানেন (আল ইমরান) তাক্বওয়া ও মুত্তাক্বীদের যেসব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী তা মহাগ্রন্থ আল কোরআনে স্বয়ং আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন।  তার কয়েকটি মাত্র উদাহরণ এখানে উল্লেখ করা হলো। অন্যান্য ইবাদত থেকে রোজার আরেকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে রোজা পালনের সময়ের ব্যাপারটি। যেমন এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য সময় লাগে মাত্র কয়েক মিনিট, জাকাত আদায়ের জন্য প্রয়োজন কেবল কয়েকটি মুহূর্ত। হজের জন্য কয়েক সপ্তাহ সময় লাগলেও তা জীবনে কেবল একবারই আদায় করতে হয়। কিন্তু রোজার বিষয়টি এ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। যেমন শেষ রাতে সেহরী খাওয়া, সারাদিন পানাহার ও যৌন সঙ্গম থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি যাবতীয় মিথ্যাচার, গীবত, সেকায়ত, চোগলখুরী, কাউকে গালিগালাজ করা, সুদ, ঘুষ, গ্রহণ অন্যের ওপর অত্যাচার করা, নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র, ব্যভিচার ইত্যাদি যাবতীয় মন্দ এবং অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা। সূর্যাস্তের সাথে সাথে বৈধ উপায়ে অর্জিত হালাল খাদ্য নিয়ে ইফতার করা, তার একটু পরেই এশার নামাজের সাথে অতিরিক্ত তারাবীহর বিশ রাকাত নামাজ পড়া, ঘুমানোর আগে রাতের কিছু অংশে কোরআন শরীফ ও হাদীস অধ্যয়ন করা, শেষ রাতে উঠে সেহরির আগে কয়েক রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে আল্লাহর নিকট গোনাহ মাফের জন্য কান্নকাটি করা। এভাবে ক্রমাগতভাবে ত্রিশটি দিন গোটা মুসলিম উম্মাহ এক বিশেষ ট্রেনিং নিয়ে থাকে। এমন একটি সামগ্রিক প্রশিক্ষণের ফলে গোটা বিশ্বময় সৃষ্টি হয় এক মনোরম বেহেশতী ও তাক্বওয়ার পরিবেশ। আর এ রকম একটি জান্নাতি পরিবেশের দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে প্রতিটি মুসলমানের অন্তর ভরে যায় তাক্বওয়া আর পরহেজগারীর ফলে মিটে যায় নফস ও দেহের যাবতীয় অবৈধ ও অনাকক্সিক্ষত চাহিদা। সৃষ্টি হয় আত্মসংযমের এক মহাশক্তি। ফলে একজন রোজাদার বিনয়াবত হয় মহান আল্লাহপাকের সামনে, কেবল তারই সন্তুষ্টির লক্ষ্যে নিজের আনুগত্যের মস্তক, তার যাবতীয় হুকুমের সামনে অবনত করে দেয়। আর এটিই হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজানের তাক্বওয়া প্রশিক্ষণের ফসল। আল্লাহপাক আমাদিগকে তাক্বওয়ার সাথে পবিত্র মাসের রোজা রাখার তাওফিক দান করেন। আমীন ছুম্মা আমীন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: