মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি-৬ জনের যাবজ্জীবন | Amader Nangalkot
শিরোনাম...
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ জমকালো আয়োজনে বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র ওমান শাখার কমিটি গঠন ◈ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার কমিটিতে ভোলাকোটের দুই রতন ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

For Advertisement

মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি-৬ জনের যাবজ্জীবন

24 June 2014, 4:30:05

১৩ বছর পর রমনা বোমা হামলা মামলায় মুফতি আব্দুল হান্নানসহ আট জনের ফাঁসির রায় হয়েছে। এছাড়া ছয় জনকে দেওয়া হয়েছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। সোমবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমিন এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মুফতি আব্দুল হান্নান, মাওলানা আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে মাওলানা হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মাওলানা আবদুল হাই ও মাওলানা শফিকুর রহমান। আর যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়েছে, শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, মাওলানা সাব্বির, শেখ ফরিদ, মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা ইয়াহিয়া ও মাওলানা আবু তাহেরকে।

এছাড়া পলাতক পাঁচ আসামি হলেন, মাওলানা তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর, মুফতি শফিকুর রহমান ও মুফতি আবদুল হাই ।

২০০১ সালে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান চলাকালে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হযেছিল।

সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে গত ১৬ জুন মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হযৈছিল। তবে ওইদিন রায় লেখার কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় গতকাল রায় ঘোষণার দিন পুনরায় ধার্য করেন আদালত।

রমনায় বোমা হামলা মামলার প্রধান আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) প্রধান মুফতি হান্নানসহ ১৩ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এর আগে দেওয়া জবানবন্দিতে হামলার দায় স্বীকার করেন হান্নান। তিনি জবানবন্দিতে বলেন, ‘বর্ষবরণ উৎসব অনৈসলামিক’ বলে তারা হামলা চালান। মুফতি হান্নান ছাড়া আকবর ও আরিফ হামলার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু বলেন, “রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁশুলিরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।”

রায় ঘোষণা উপলক্ষে পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশও রয়েছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল (বাংলা ১৪০৮ সালের ১ বৈশাখ) ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে প্রাণ হারায় ১০ জন। আহত হয় অর্ধশতাধিক। হামলার ঘটনায় রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে হত্যা মামলায় হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জঙ্গিকে আসামি করা হয়।

২০০৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর দুটি মামলায় ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

হত্যা মামলায় রায় হলেও একই ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে করা অন্য মামলাটি ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন। এ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন বিচারক ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এ মামলার কার্যক্রমের ওপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে একটি আবেদন পাঠান। এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রারের দফতর থেকে ওই আবেদনের কোনও সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট আদালতে পৌঁছায়নি। ফলে এ মামলাটির বিষয়ে কোনও সুরাহা হচ্ছে না।

For Advertisement

Unauthorized use of news, image, information, etc published by Amader Nangalkot is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.

Comments: