মুরগী দোকানের কর্মচারি থেকে শীর্ষ মাদক কারবারি চর্থার কাশেম | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

মুরগী দোকানের কর্মচারি থেকে শীর্ষ মাদক কারবারি চর্থার কাশেম

16 December 2019, 10:02:36

 

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী:

কুমিল্লা মহানগরীর দক্ষিণ চর্থা (থিরা পুকুরপাড়) মিয়া বাড়ির মৃত শফিক মিয়ার ছেলে কাশেম মুরগির দোকানের কর্মচারী থেকে এখন শীর্ষ মাদক কারবারি। স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কাশেম এক সময় নিউ মার্কেটের মুরগির দোকানের কর্মচারী হলেও বর্তমানে মাদক ব্যবসা করে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। কাশেমের মাদক ব্যবসার ধরন একটু ভিন্ন রকমের, সুচতুর কাশের প্রথমে ফেনসিডিলের ব্যবসা করলেও এখন ইয়াবা, গাঁজা পাইকারি বিক্রি করে থাকেন। কাশেমের ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করার জন্য ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ রয়েছে যারা কাশেমের কাছ থেকে মাদক পাইকারি ক্রয় করে খুচরা বিক্রয় করে থাকেন। খুচরা বিক্রেতাদের নিকট মাদক পৌঁছে দেয় তার বড় ভাই একাধিক মাদক, ছিনতাই, ডাকাতি মামলার আসামি নজির। সূত্র জানায়, এক সময় নুন আনতে পান্তা ফুরানো কাশেম বর্তমানে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এই মাদক ব্যবসা করে। পুরাতন পরিত্যাক্ত মাটির ঘর ভেঙে পাঁচতলা ফাউন্ডেশন করে বিল্ডিং নির্মান করে রুমে এসি লাগিয়েছেন। নিজে চলাচল ও মাদক বহনের জন্য রয়েছে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত গাড়ি। বীরদর্পে মাদক ব্যবসা করার জন্য সমাজের প্রভাবশালী লোকদের সুকৌশলে আত্বীয়, বন্ধু, বানিয়ে নিয়েছেন। কাশেম নিয়ন্ত্রিত খুচরা মাদক ব্যাবসায়ীরা পুলিশের হাতে ধরা পরলে জামিন, সংসারের খরচসহ যাবতীয় সব কিছু কাশেম দেখাশোনা করেন শর্ত কাশেমের নাম বলা যাবেনা। কাশেমের অবৈধ টাকার প্রভাবে তার বাড়ির লোকজনও অসহায় প্রায়। কাশেমের বাড়ির একাধিক লোক নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানান, কাশেমের মাদক ব্যবসায় বাঁধা দিতে গিয়ে আমরা বিভিন্নভাবে হয়রানি হই। কাশেম আমাদের হুমকি দিয়ে বলেন, আমাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা। বিভিন্ন পুলিশ অফিসারের সাথে তার একান্ত মুহুর্তের ছবি দেখিয়ে বলে এরা সবাই আমার বন্ধু। অনেক সাংবাদিক পুলিশ ও নাকি কাশেমের কথায় ওঠবস করে। সূত্র জানায়, কাশেম পুলিশ অফিসারদের ভয় দেখিয়ে সবাইকে ভিতু করে রাখে। কাশেমের মাদক ব্যাবসার প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক অসহায় লোক মিথ্যা মামলা হামলার স্বীকার হয়েছেন। দ্রুত কাশেমকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় না আনা হলে যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা যাবেনা।

সাথে মাদক ব্যবসায়ী কাশেম ও তার বড় ভাই নজিরের ছবি আছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x