মৃত শিশুটিকে ধর্ষণ করেন শাহ আলম! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

মৃত শিশুটিকে ধর্ষণ করেন শাহ আলম!

19 May 2014, 9:15:53

lip togader rap

ভৈরব: ‘আম্মারে খুঁজতে নয়নদের (নয়ন মিয়া) বাড়িতে গিয়া দেহি দরজা খোলা। ঘরে ঢুকলাম। দুই বোন মারে ধইরা ঘুমাইতাছে। মাথায় আকাম করার ভূত চাপল। গলায় চিপ দিয়া ছোটটারে (আফরোজা) নিয়া গেলাম। আধা কিলোমিটার দূরে নির্জন জায়গা পাইলাম। হেই জায়গায় মেয়েটারে মাটিতে শুয়াইলাম। দেহি লড়াচড়া করে না। এরপর ধর্ষণ করছি।’
এই স্বীকারোক্তি কিশোরগঞ্জের গাইটাল মহল্লায় মায়ের কোল থেকে চার বছরের ঘুমন্ত শিশুকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় একমাত্র অভিযুক্ত শাহ আলমের। গত শনিবার রাতে কিশোরগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. হোসেন ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক সফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন৷
তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তাঁরা প্রায় নিশ্চিত, গলায় চাপ দিয়ে ধরে রাখার কারণে ধর্ষণ করার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। শাহ আলম মৃত শিশুকেই ধর্ষণ করেন এবং এর আগে তিনি শক্তিবর্ধক বড়ি সেবন করেন। শাহ আলমকে আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে৷
জবানবন্দিতে শাহ আলম জানান, ঘটনার দিন তিনি সবুজ গেঞ্জি ও প্যান্ট পরা ছিলেন। ধর্ষণ শেষে পালানোর সময় নৈশপ্রহরী তাঁর দিকে টর্চ মারেন। তবে তাঁকে চিনতে পেরেছিলেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন।
এদিকে নৈশপ্রহরী পল্টু মিয়াকে পুলিশ থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পল্টু মিয়া পুলিশকে জানিয়েছেন, মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি টর্চ মারেন। টর্চের আলো সেই ব্যক্তির গায়ে পড়ে। তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। তিনি ওই ব্যক্তির মুখ দেখেননি। তবে সবুজ রঙের গেঞ্জি ও প্যান্ট পরা দেখে ধারণা করেন, ওই ব্যক্তি শাহ আলম হতে পারেন। কারণ, তিনি শাহ আলমকে ভালো করেই চিনতেন এবং জানতেন৷
গত শুক্রবার রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় মায়ের পাশ থেকে আফরোজাকে নিয়ে ধর্ষণ করেন শাহ আলম। ওই রাতেই িশশুটির মৃতদেহ পাওয়া যায়৷

সুত্র প্রথম আলো।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: