যুক্ত হলো বাংলাদেশের ভাষা দিবসে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

যুক্ত হলো বাংলাদেশের ভাষা দিবসে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল!

23 February 2017, 1:17:36

ভাষা দিবসে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হলো বাংলাদেশ। উচ্চগতির এই নতুন মহাসড়কে দেশের সংযুক্তি নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করবে। কেবলমাত্র প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে প্রতি একক নির্ভরতা কমাবে এই নতুন সংযুক্তি। এখন প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলে ত্রুটি-যান্ত্রিক গোলযোগ হলেও একেবারে অচল হবে না দেশের ইন্টারনেট সংযোগ।

বিশ্বের তথ্য মহাসড়কের আধুনিকতম সংস্করণে বাংলাদেশকে যুক্ত করে এসব আশার কথা শোনালেন দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের পরিচালক পারভেজ মনন আশরাফ।

চ্যানেল আই অনলাইনকে তিনি বলেন,‘প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে এলো দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল। এখন থেকে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা যেকোনো যান্ত্রিক গোলযোগে দেশের ইন্টারনেটে বিপর্যয় নেমে আসবে না বলে আশা করি। আসলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার শঙ্কা দূর করতেই দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিলো।’

দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল দেশের উচ্চসতির ইন্টারনেট অগ্রযাত্রায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এমন আশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন,‘সি-মি-উই ফোরের পর এবার সি-মি-উই ফাইভে যুক্ত হলাম আমরা। অচিরেই ফোর-জি চালু হচ্ছে। তখন উচ্চসতির ইন্টারনেট চাহিদা পূরণে মেরুদ- হিসেবে কাজ করবে নতুন এই সাবমেরিন ক্যাবল। কারণ নেটওয়ার্কের আসল ভিত্তিটা হলো ক্যাবল। অদূর ভবিষ্যতের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক বাস্তবায়নের পথও সুগম হলো। এই সাবমেরিন ক্যাবল উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নিরবিচ্ছিন্নতা নিশ্চিত করবে।’

ইন্টারনেটের দ্বিতীয় এ মহাসড়কে যুক্ত হওয়ার কাজ শেষ হলেও এখনও কুয়াকাটার ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ঢাকায় ব্যান্ডউইথ আনার লিংক তৈরি হয়নি।

কারিগরি এই অসম্পূর্ণতা স্বীকার করে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের প্রকল্প পরিচালক বলেন,‘ লিংক তৈরির কাজ অল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করছি। নতুন সাবমেরিন ক্যাবলে ১৫ টি আলোকতরঙ্গের প্রতিটি দিয়ে ১’শ জিবিপিএস অর্থাৎ মোট দেড় হাজার জিবিপিএস পাবে বাংলাদেশ। বর্তমানে মাত্র দু’টি আলোকতরঙ্গ দিয়ে আমরা ২’শ জিবিপিএস পাচ্ছি।’

২০১৪ সালের মার্চে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) সিম-মি-উই-৫ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হওয়ার জন্য চুক্তি করে। গত ১৩ ডিসেম্বর সিম-মি-উই-৫ কর্তৃপক্ষ সমুদ্রের তলদেশে ক্যাবল স্থাপনের কাজ শেষের ঘোষণা দেয়। এ সময়ে বাংলাদেশ কুয়াকাটা অংশে ল্যান্ডিং স্টেশন তৈরি করে। প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে।

ইতোমধ্যে কারিগরি উন্নতির মাধ্যমে বর্তমানে চালু সিম-মি-উই-৪ ক্যাবলের ক্ষমতা ১০০ জিবিপিএস বাড়ানো হয়েছে। আগে এর পরিমাণ ছিল ২০০ জিবিপিএস। মোট ব্যান্ডউইথের মধ্যে দেশে ব্যবহার হচ্ছে ১৭৬ জিবিপিএস। এর মধ্যে ভারতে রপ্তানি হচ্ছে ১০ জিবিপিএস।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: