যেভাবে মহেশপুরের কাঠগড়া বাওড়ের টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

যেভাবে মহেশপুরের কাঠগড়া বাওড়ের টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে

17 June 2017, 6:59:02

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাঠগড়া বাওড়ের মৎস্যজীবীদের মাছ বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মৎস্যজীবিসহ এলাকার শেয়ারদের টাকা ৮ লাখ টাকা না দিয়ে বাওড়ের হ্যাচারির দায়িত্বে থাকা মুজিবুর রহমান ও ভাটপাড়া গ্রামের আলীবুদ্দিন শেখ লাল এই টাকা আতœসাত করেছেন। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এক লিখিত অভিযোগে কাঠগড়া বাওড়ের সাধারণ সম্পাদক ভোলা নাথ এই অভিযোগ করেন। তিনি লিখিত অবিযোগে উল্লেখ করেছেন, মৎস্য মন্ত্রনালয়ের ঘোষিত মৎস্যনীতি ২০০৯ এর আলোকে প্রত্যেক জলাশয়ের তীরবর্তী মৎস্যজীবিদের নিকট জলাশয় ইজারা দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্ত কাঠগড়া বাওড় সরকারী ভাবে পরিচালিত হওয়ায় বাওড় সংলগ্ন মৎস্যজীবিদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য বাওড়ের মোট উৎপাদনের ৪০% টাকা মৎস্যজীবিদের প্রদান করার কথা।

কিন্তু মৎস্যজীবিদের বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে বাওড়ের হ্যাচারির দায়িত্ব থাকা মুজিবুর রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিয়োগ করা প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) ৪০% এর স্থলে ২০% টাকা প্রদান বাকী টাকা আতœসাত করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে কাটগড়া বাওড় সরকারী ভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও বাওড়ে দায়িত্বে থাকা মুজিবুর রহমান সরকারী আইনকে থোড়াই কেয়ার করে এমপির প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ লালের কাছে সাবলিজ প্রদান করেছেন। ফলে মৎস্যজীবিরা বাওড়ে রানী মাছ ধরতে না পেরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মৎস্যজীবী শিব নাথ ও আনন্দ কুমার জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে মৎস্যজীবিদের ২০% টাকা প্রদানের পর মোট ৪৮ লাখ টাকার মাছ বিক্রয় কর হয়। এই ৪৮ লাখ টাকার মধ্যে মৎস্যীবিদের বাকী ২০% টাকা হিসেবে ৮ লক্ষ টাকা বাওড়ের দায়িত্ব থাকা হ্যাচারী মুজিবুর রহমান ও আলীবুদ্দিন শেখ লাল আতœসাত করেছেন।

এ ছাড়াও ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের ০৯/১১/২০১৬ ইং তারিখ থেকে ০৯/০৩/২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত মৎস্যজীবিদেরকে ২০% টাকা প্রদান করার পর বাকী ৪৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৪ শত ৩ টাকা হ্যাচারীর দায়িত্বে থাকা মজিবুর রহমান মৎস্যজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদককে আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) এর নিকট জমা রাখতে বলেন। ওই টাকার মধ্যে মৎস্যজীবিদের ২০% টাকা দেওয়ার নাম করে কাউকে না দিয়ে হ্যাচারী মুজিবুর রহমান ও আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬ শত ৮০ টাকা নিজেরা আতœসাত করেছেন। টাকা চাইতে গেলে বাওড়ে দায়িত্ব থাকা হ্যাচারী মজিবুর রহমানের ইন্ধনে আলীবুদ্দিন শেখ লাল তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মৎস্যজীবিদের প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ব্যাপারে হ্যাচারীর দায়িত্বে থাকা মজিবুর রহমান ও এমপির নিয়োজিত প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ লাল মুঠো ফোনে জানান, তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই।

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: