যে গ্রামে বিচার-আচার বিলুপ্তির পথে! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

যে গ্রামে বিচার-আচার বিলুপ্তির পথে!

30 October 2014, 9:00:32


স্টাফ রিপোর্টার:
 আশে-পাশে ৮/১০টি গ্রামের জন্য যে গ্রামটি উচ্চ মাধ্যমিক শিা প্রতিষ্ঠানের জন্য পরিচিত,যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতসহ বিভিন্ন কারন অকারনে পরিচিত হওয়ার ফলে সকলের আকষর্নীয়ও উপভোগ্য জায়গায় পরিত হয়েছে এটি। আর সেই গ্রামটির নাম হলো দনি শাকতলী। এটি কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নে অবস্থিত। গ্রামের কয়েকজন ছেলে-পুলে থেকে জানা যায় কয়েকমাস যাবত গ্রামের শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান দনি শাকতলী স্কুলের ২০০৬ ব্যাচের এস এস সি পরীার্থীদের মিলনমেলায় কয়েকজন বন্ধু নাম রেখে দিলেন সিটি। গ্রামটির নাম শাকতলী সিটি। যা কয়েকমাসে গ্রামের আবাল,বৃদ্ধ থেকে শুরু করে উপজেলা ছাড়িয়ে সবার মুখে মুখে গ্রামটি হয়ে উঠলো গ্রামভিত্তিক দেশের অঘোষিত সিটিতে। শুধুই তাই নয় গ্রামটিতে রয়েছে শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের লীলাভূমি ও বিট্রিশ শাসনামল,১৯৪৭, ১৯৫২,১৯৭০,১৯৯০ এর মত দেশের ঐতিহাসিক আন্দোলনগুলোতেও এলাকাটি রয়েছে জীবন্ত স্বাী হিসেবে। এটি শত বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য লালন করে আসছে। যদিও ইতিমধ্যে কিছু বিলীন হয়ে গেছে সংরনের অভাবে। বর্তমানে স্কুলটি ছাড়াও রয়েছে গ্রামটিতে ১ টি মাজার,২টি বাজার, ১টি পোষ্ট অফিস,প্রায় ৯-১০টি মসজিদ,বেশ কয়েকটি কবরস্থান,১টি মহাশ্মশান, ১টি খেলার মাঠ,১টি (খাস) দিঘি,ঐতিহাসিক বিলুপ্তি হওয়া নদী তারাশাইল চরের কিছু অংশ (মাটির নিচে ২টি বড় জাহাজ এখনো রয়েছে),১টি শহীদ মিনারসহ পেশাগত দিক থেকে সরকারি-বেসরকারি আমলা,ব্যাংকার,পুলিশ,শিক,বিসি এস ক্যাডার,জেলা শিা অফিসার,রাজনীতিবিদ,সাংবাদিক,লেখক,খাদ্য অফিসের কর্মকর্তাসহ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিতসহ চাকুরীরত অগণিত লোক। সর্বোপরি এক গ্রাম হিসেবে ১টি ওয়ার্ড হিসেবে আত্মপ্রকাশ হলো গত ২০১১সালে গ্রামটি। শুধু তাই নয় গ্রামটিতে স্বাধীনতার পর থেকে গত ৪১ বছর পর গত ২০১১ সালে গ্রামটিতে প্রথমবারের মত ইউপি মেম্বার নির্বাচিত হন। এছাড়া ও বিভিন্ন েেত্র যখন গ্রামটিতে আলোর ছড়াছড়ি ঠিক সে সময়ই কেউ গ্রাম নিয়ে বিচার আচার ও গ্রামকে অবহেলা করার কারণে চুরি ডাকাতি এক প্রকারে আগের থেকে কিছুটা বন্ধ হলেও নারী নিযার্তন,মারামারি কিছুটা বেড়ে গেছে। অভিভাবকহীন গ্রামটিতে শেষ ভরসা এখন থানায় কিংবা কুমিল্লা ফেীজদারিতে মামলা দায়ের। তাও অনেকের জন্য টাকার অভাবে কিংবা সম্মানের দিকে ছেয়ে মামলা করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে করে সরলতার ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে গুটি কয়েক প্রভাবশালী লোক মামলা গুলো করাচ্ছেন ও সেল্টার দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, গ্রামটিতে বর্তমানে বিচার আচার তো উঠে গেছেই,কোন অপকর্ম’র প্রতিবাদ করার মত কেউ নেই। এতে করে গ্রামের কয়েকজন সচেতন নাগরিক এই প্রতিবেদককে জানান এ ব্যাপারে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান দোলন খান,উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা সামছুদ্দিন কালু,নিবার্হী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে দৃষ্টি চেয়েছেন।

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: