রাস্তার বেহাল দশায় ঝিনাইদহের বিষয়খালি বাজার থেকে কুতুবপুর ! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

রাস্তার বেহাল দশায় ঝিনাইদহের বিষয়খালি বাজার থেকে কুতুবপুর !

22 January 2017, 10:17:48

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নে বিষয়খালী বাজার থেকে কুতুব পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার রাস্তার এখন ভগ্নদশা। রাস্তার অবস্থা এতাটাই করুণ যে ভয়ে শহরের মানুষ কেও গ্রামে ফিরতে চান নাা।

জরুরী ভাবে কোন রোগী ওই রাস্তায় পরিবহন করা অসম্ভব। এলাকার মানুষের ভাষ্যমতে ২/৩ জন নারীর সন্তান জন্মেছে এই সড়কের মাঝ পথে। স্থানীয় মেম্বর আতিকুর রহমান বলেন, প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে গান্না বাজার, নগরবাথান, বাজারগোপালপুর ও ডেফলবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। আর কেশবপুরসহ ছয় গ্রামের মানুষ বসবাস করেন রাস্তার আশেপাশে। অটো ভ্যান, ইজিবাইক ও নছিমন করিমন চলে সড়কটিতে দুই শাতাধীক। কিন্তু কারো যাত্রাই আরামদায়ক নয়। সবাই ঝুকিপুর্ন ভাবে চলাচল করেন।

এলাকার আরেক মেম্বর হাজী জালাল উদ্দীন বলেন, রাস্তাটি এলজিইডি এইচবিবি করেছে ৫/৬ বছর আগে। সংস্কার না করায় চার কিলোমিটার রাস্তায় বড় বড় গর্ত আর খানা খন্দকে ভরে গেছে। দুই কিলোমিটার পিচ করা হলেও বাকী রাস্তা ক্রমশ গ্রাম বাসির জন্য ঝুকিপুর্ণ য়ে উঠেছে।

এলাকার বাসিন্দা বসির আহম্মেদ বলেন, রাস্তাটি দ্রুত করা না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে গ্রাম বাসির ভোগান্তির শেষ থাকবে না। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলি আব্দুল মালেক বলেন, গ্রামের কিছু কিছু রাস্তা রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে করা হলেও তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: