রোগীকে চেকআপ করতে গিয়ে এয়ার্টপোর্টে ধরা পড়ে সোনার চালান। | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

রোগীকে চেকআপ করতে গিয়ে এয়ার্টপোর্টে ধরা পড়ে সোনার চালান।

5 May 2014, 9:24:25

gold

মোঃ রিপন রানা স্টাফ রির্পোটার, আমাদরে নাঙ্গলকোট ডট কম: ০৫ মে ২০১৪

চুরি বিদ্যা মহা বিদ্যা যদি বাঁচা যায়, কিন্তু এ কি ঘটছে এই চোরের কাছে ক্ষেত্রে…!  ফ্লাইট ল্যান্ড করার পর দরজা খুলতেই সামনেই একটি একটি হুইলচেয়ার।কোন বাক্যব্যয় ছাড়াই রাজ্জাক সাহেব গিয়ে বসলেন হুইলচেয়ারে।বিমান অপারেটর উজ্জ্বল ও আনোয়ার হুইলচেয়ার বসে থাকা অসুস্থ রোগীকে নিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়ে যান ইমিগ্রেশনে।হুইলচেয়ারে থাকায় স্বভাবৎই মুহূর্তেই ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ। তারপর দ্রুত কাস্টমস হল দিয়ে গ্রীন চ্যানেল পার হওয়ার মুহুর্তে। ঠিক তখনই তাকে লক্ষ্য করে বসে-শুল্ক গোয়েন্দারা। নমনীয়তার সাথেই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় আপনার সঙ্গে স্বর্ণ আছে কিনা। হুইল চেয়ারে বসে থাকা রাজ্জাক হাঁফাতে হাঁফাতে দেখালেন- তিনি ঠিকমতো শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারছেন না, মনে হয় দম যায় যায় অবস্থা। উত্তরে বলেন এমন বয়োবৃদ্ধ অসুস্থ মানুষ আবার স্বর্ণ আনে কী করে?? কিন্তু গোয়েন্দারা নিশ্চিত হয়েছেন যে, তাঁর কাছেই রয়েছে সোনার বার। কোন কথা না বাড়িয়েই  মুহূর্তেই তাঁর তলপেটে গোয়েন্দার হাত দেয়। তাতেই পিলে চমকালো। একে একে বেরিয়ে এলো ছয়টি বার। সব এক কেজি ওজনের বার। অর্থাৎ ছয় কেজি সোনা। যার মূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা।
শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমন এক অবিশ্বাস্য কায়দায় ধরা পড়ে সোনার চালান। তাঁকে যখন কাস্টমস হলে নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হয়, তখন বের হয়ে আসে একের পর এক সব চাঞ্চল্যকর তথ্য।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, অদ্ভুত ঘটনা। জীবনে এমন দেখিওনি, শুনিওনি। পঞ্চাশোর্ধ এমন একজন রোগী যিনি-বার্ধক্যজনিত রোগে ন্যুব্জ, তার পক্ষে এমন নিখুঁত চোরাচালানে জড়িত হওয়া এটা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হয়।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: