রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব বিবেক জাগ্রত হবে কি?- বাপ্পি মজুমদার ইউনুস | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব বিবেক জাগ্রত হবে কি?- বাপ্পি মজুমদার ইউনুস

19 November 2016, 10:29:24

রোহিঙ্গা আদিবাসী জনগোষ্ঠী পশ্চিম মায়ানমারের আরাকান রাজ্যের একটি উলেখযোগ্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী। এরা ইসলাম ধর্মে দীতি। রোহিঙ্গাদের আলাদা ভাষা থাকলেও তা অলিখিত। ইউকিপিডিয়া তথ্য মতে ২০১২ সালে, প্রায় ৮,০০,০০০ রোহিঙ্গা মায়ানমারে বসবাস করে। মায়ানমার ছাড়াও ৫ লরে অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এবং প্রায় ৫লাখ সৌদিআরবে বাস করে বলে ধারনা করা হয় যারা বিভিন্ন সময় বার্মা সরকারের নির্যাতনের কারণে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। জাতিসংঘের তথ্যমতে, রোহিঙ্গারা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী।

বর্তমান মিয়াানমারের রোহিং (আরাকানের পুরনো নাম) এলাকায় এ জনগোষ্ঠীর বসবাস। ইতিহাস ও ভূগোল বলছে, রাখাইন প্রদেশের উত্তর অংশে বাঙালি, পার্সিয়ান, তুর্কি, মোগল, আরবীয় ও পাঠানরা বঙ্গোপসাগরের উপকূল বরাবর বসতি স্থাপন করেছে। তাদের কথ্য ভাষায় চট্টগ্রামের স্থানীয় উচ্চারণের প্রভাব রয়েছে। উর্দু, হিন্দি, আরবি শব্দও রয়েছে। রাখাইনে দুটি সম্প্রদায়ের বসবাস ‘মগ’ ও ‘রোহিঙ্গা’। মগরা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। মগের কথাটি বাংলাদেশে এতোটা পরিচিত নয় । দস্যুবৃত্তির কারণেই এমন নাম হয়েছে ‘মগ’দের। এক সময় তাদের দৌরাত্ম্য ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোগলরা তাদের তাড়া করে জঙ্গলে ফেরত পাঠায় ইউকিডিয়া তথ্য মতে।

রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে একটি প্রচলিত গল্প রয়েছে নাকি যা বাবার মুখে শুনেছিলাম। এভাবেথ সপ্তম শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন উপকূলে আশ্রয় নিয়ে বলেন, আল্লার রহমতে বেঁচে গেছি। এই রহম থেকেই এসেছে রোহিঙ্গা।

তবে ইতিহাস এটা জানায় যে, ১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ সাল পর্যন্ত ২২ হাজার বর্গমাইল আয়তনের রোহিঙ্গা স্বাধীন রাজ্য ছিল। মিয়ানমারের এক রাজা ( নাম জানা নেই) এ রাজ্য দখল করার পর বৌদ্ধ আধিপত্য শুরু।

এক সময় ব্রিটিশদের দখলে আসে এ ভূখন্ড। তখন বড় ধরনের ভুল করে তারা এবং এটা ইচ্ছাকৃত কিনা, সে প্রশ্ন জ্বলন্ত। তারা মিয়ানমারের ১৩৯টি জাতিগোষ্ঠীর তালিকা প্রস্তুত করে। কিন্তু তার মধ্যে রোহিঙ্গাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ ধরনের বহু ভূল করে গেছে ব্রিটিশ শাসকরা।
ভারত ছাড়া বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নাম মায়ানমার। সীমান্ত ভাগাভাগি করা ছাড়াও, এই দুটি রাষ্ট্রের সীমান্ত এলাকায় বাস করা জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি এবং ধর্ম এক। সম্প্রতি মায়ানমারে রাখাইন প্রদেশে জাতিগত দাঙ্গার কারণে এই সমস্ত মানুষগুলো এখন অসহায় অবস্থায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে আশ্রয়য়ের জন্য বাংলাদেশে পাড়ি জমাচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তাদের সে দেশে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না, যার ফলে এই সমস্ত লোকগুলো এখন সমুদ্রে ভাসছে। সারা পৃথিবীতে শুধু শুনা যায় বড় বড় বলি,মানবাধিকারের ছড়া গান! কিন্তু সে সব লোকদের চোখে কি তারা মানুষ নয় কি?। ধর্ম হলো মানুষ আলাদা সত্ত্বা কিন্তু আগে আমাদের যে পরিচয়টা সেটা তো হলো আমরা মানুষ। মানুষ হিসাবেও কি তারা সাহায্য বা আশ্রয় পায় না। মহান মুক্তি যুদ্ধের সময়কার কথা বলছি-ভারত যদি আমাদের কে আশ্রয় না দিতো তাহলে বিষয়টি কেমন দেখাতো। কিন্তু এ কথা সত্যে যে আমরা গরীব দেশ-আমরা কি এতোটাই গরীব যে এই অসহায় লোকদের কে আমরা আশ্রয় দিতে পারি না।

কোথায় আজ জাতিসংঘ,,কোথায় সে সব অসম্প্রদায়িকতার লোক সকল,কোথায় আজ আপনাদের বিবেক! এখনো কি ঘুমিয়ে আছে আপনাদের বিবেক!।

মূলত মায়ানমারে জাতিগত দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার পর, সেদেশে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকজন প্রাণ ভয়ে এলাকা ছেড়ে পালাতে শুরু করে। সর্বস্ব হারানো এই সব নাগরিকরা কেবল প্রাণটুকু সম্বল করে, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু স্থল সীমান্ত অনেক বেশী দুর্গম হওয়ার কারণে, পাশাপাশি নৌপথে যাতায়াাতের সুবিধার কারণে তারা নৌকায় করে নাফ নদী দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টত জানিয়ে দেয় যে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করবে। ঘটনার পরিপ্রেেিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) গত ১২/৬/২০১২ তারিখে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সীমান্ত খুলে দিতে বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানায়। একই সাথে জাতি সংঘের উদ্বাস্ত বিষয়ক সংগঠন ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশের প্রতি এই আহবান জানায়( সূত্র-প্রথম-আলো), কিন্তু বাংলাদেশ সরকার তার অবস্থানে অনড় থাকে। যার ফলে আশ্রয় প্রার্থী রোহিঙ্গাদের েেত্র এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যে সাগরে ভাসছে।

রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে র‌্যালি।ছবি,ফেইসবুক, অনলাইনে হা-হা কার ছড়াচ্ছে। কিন্তু আমাদের মত সাধারন মানুষ এই আপসোস বা মায়া দিয়ে কি তাদের দুঃখ মুছন হবে? হবে না। তবে আমাদের বিবেক বলে একটা কথা আছে সেটা থেকে দূরে থাকতে পারলাম বটে, তাই কলমের মাধ্যমে আমার এই প্রতিবাদ। গানের ভাষায় বলতে গেলে বলা যায়, জীবন জীবনের জন্য,মানুষ মানুষের জন্য, একটু সহানোভুতি কি পেতে পারে না।

আমাদের ভিতর আজ মায়া মততা বলে যে একটা ব্যাপার আছে তা কিন্তু এখন আর নেই। ঐ সব নরপশুদের বিরুদ্ধে কেউ কি দাঁড়াতে পারে না। যদি এখানে ধর্মের কথা আছে তাহলে কোথায় ইসলামিক দেশগুলো কোথায় তোমাদের মানবতার হুংকার। একদিন আমাদেরও হতে পারে এমন পরিনতি! তখন কোথায় থাকবে আমাদের যুক্তিযুক্ত তর্ক। তখন আর পিচু ফিরে তাকানো সময়টুকু না ও পেতে পারি।

ফিরে দেখি-
১৪ জুন ২০১২ তারিখে স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক আমাদের কুমিল্লার মারফত জানা যায় যে বিগত তিন দিনে ৭৬৮ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশের সময় আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। কিন্তু মায়ানমারের তারা ফেরত যেতে পারেনি কারণ সেখানে মৃত্যু তাদের তাড়া করেছে, যার ফলে এই সমস্ত নাগরিকরা এখন সমুদ্রে ভাসছে। তাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল সমুদ্র!!।
এক সময় বার্মার আরাকান এবং বর্তমানে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাসিন্দা রোহিঙ্গাদের সে দেশের সামরিক সরকার বহিরাগত বাঙ্গালী বলে অভিহিত করে। যার ফলে এই সমস্ত নাগরিকরা একবার যদি বাংলাদেশে প্রবেশ করে, তাহলে ভবিষ্যতে মায়ানমারের কোন সরকার তাদের গ্রহণ করতে ইচ্ছুক হবে না, বরঞ্চ আগামিতে তারা আরো জোরালো ভাবে বাঙ্গালী অভিবাসনের অভিযোগ করবে এবং বিষয়টি দুটি দেশের সরকারের মাঝে জটিলতা আরো বৃদ্ধি করবে।

একই সাথে বাংলাদেশ জনসংখ্যার ভারে জর্জরিত একটি দেশ, এর আগেও এদেশে ১৯৭৮ সাল বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৫ লাখ-এর মত রোহিঙ্গা বাংলাদেশ প্রবেশ করে, কিন্তু পরবর্তীতে মায়ানমার সরকার বাংলাদেশর প্রদত্ত সংখ্যা মেনে নিতে অস্বীকার করে। এবং এই ঘটনার পর বেশ কিছু রোহিঙ্গা উদ্বাস্ত বাংলাদেশে থেকে যায়।
এখন নতুন করে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তর প্রবেশে দেশটির সামাজিক এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্য বিনষ্ট করবে!
এটা বাস্তবতা যে আমাদের এই অবস্থা কিন্তু বিশ^ সম্প্রদায় কি এই বিষয়ে কোন জড়ালো পদক্ষেপ নিতে পারেন না।

আমি জানি যে মায়ানমারের বাস করা রোহিঙ্গার এই সব রাজনীতির অনেক বাইরে। একজন রাখাইন নারীকে রোহিঙ্গারা ধর্ষণ করেছে এই অভিযোগে আক্রমণ এবং পাল্টা আক্রমণের মধ্যে রাখাইন এবং রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে আরাকানী বাংলাভাষী এবং মুসলিম সংখ্যালঘু এই সব মানুষগুলোর জন্য নরকের দ্বার খুলে যায়।কিন্তু এই ঘটনা কতটুকু সঠিক তা আমার জানা নাই। আর যে এই অপকর্মটি করেছেন তার শাস্তি হোক কিন্তু তার জন্য একটি গোষ্ঠিকে শেষ করে দিবে তা কি করে হয়। তারা ঐ দেশের নাগরিক হলে তাদের সরকারের দায়িত্ব এই সব বিষয় সমাধান করা কিন্তু না আমারা মিডিয়া আর অনলাইনে দেখতেছি যে সরকার তার দলীয় বাহিনী দিয়ে এই হত্যাজ্ঞ চালাছে।

তারা পালাচ্ছে বাঁচতে সুন্দর ভাবে, কারণ তারা জানে যে জীবন বাঁচাতে হবে আগে। সব সম্বল ত্যাগ করে কেবল একটা নৌকায় করে তারা এমন একটা রাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করছে, যে রাষ্ট্রটি তাদের স্বদেশভুমি নয়, যেখানে তাদের কোন আত্মীয় নেই, কোন স্বজন নেই, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা পথ পাড়ি দেওয়া কষ্টকর, তাই নৌকায় করে নাফ নদী দিয়ে তারা আশ্রয় উদ্দেশ্যে একমাত্র প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ আশ্রয়ের সন্ধানে পাড়ি জমাচ্ছে।

কিন্তু তাদের দুর্দশা কমছে না:
“তারা নৌকায় করে-এ পারে আসছে, কিন্তু পাড়ে ভিড়াতে পারছে না, কারণ পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড, যারা মানবিক, কিন্তু রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কাছে অসহায়। তারা যে টুকু পারছে নৌকায় কিছু খাবার দিয়ে আবার এই সব মানুষদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে”। কষ্ট লাগে যখন এই সব বিষয় নিয়ে চিন্তা করি বা মিডিয়াতে আমাদের চোখের সামনে এসে দাঁড় করিয়ে দেয়।

যদিও বাংলাদেশে সরকার রাজনৈতিক কারণে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের বিপ,ে কিন্তু এই েেত্র বাংলাদেশের নাগরিকদের বিশাল একটা অংশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দানের প।ে আমাদের দেশ এতো বেশী ধনী না তবে আমাদের মানবিক চাহিদা আমাদের মত তারাও মানুষ তাদেরও বাঁচার অধিকার টুকু আছে। আমাদের মহান স্বাধীনতার সময়কার যখন আমরা অস্থায়ী শিবির স্থাপন করি ভারতে তখন কিন্তু তারা আমাদের তাড়িয়ে দেয়নি। হয়তো তাদের বিশাল ভ’খন্ড আর আমাদের ?।

“মিয়াানমারে বৌদ্ধ মুসলমান সংঘর্ষ চলছে। বৌদ্ধরা যারা দূর্বল তারা অন্য প্রদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকার তাদের কে আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিচ্ছে কিন্তু সংগত কারণেই মুসলিমরা সেই দেশে যেতে পারছে না আসছে বাংলাদেশে।“ রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন সহযোগীতা পাচ্ছে না তারা।

সমস্যা জর্জরিত বাংলাদেশেও উদ্বাস্তারদের ািফরিয়ে দেওয়াটাকে আমরা অমানবিক মনে করছি কিন্তু বাংলাদেশে এভাবেই নানান সমস্যা রোহিঙ্গাদের নেয়াা সম্ভব না। কথা একটুকুও মিথ্যে নয়। প্রিয় পাঠক আমরা কি এতই নিষ্ঠুর হয়ে গেছি যে লোকগুলোকে মূত্যু মুখে ফেরৎ পাঠাচ্ছি?

ফেসবুকে আমার এক বন্ধু রিভা হক লিখেছে:
ন্যূন্যতম মানবতাবোধ থাকলেও রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের পূনরায় মৃত্যুর মুখে ফিরিয়ে দেওয়া যায়না।
কেননা পৃথিবির সব মানুষেরই আছে মানবিক অধিকার,প্রত্যেকটি ভুখন্ডে। সভ্য জাতি মাত্রই তা বুঝতে পারে,অসভ্যরা নয়! মনে রাখতে হবে,এটি ব্যাবসায়িক কারবার নয়,বরং মানবিক দায়ভার।

রোহিঙ্গাদের এই বিপর্যয়ের পেছেন অনেকে মায়ানামারের নেট নাগরিকদের ভূমিকাকে দায়ী করে, এই েেত্র রোহিঙ্গাদের জন্য ভিন্ন এক সাহায্যে প্রস্তাব নিয়ে অনেকে এগিয়ে এসেছেন। আমি একটি ব্লগে একটি প্রবন্ধ পড়েছি! তিনি লিখেছেন, যার “এটি হতে পারে রোহিঙ্গাদের সাহায্য করার এক কার্যকর উপায়” শিরোনামের প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন:

এই দাঙ্গা রহিঙ্গা ও রাখাঈনদের মধ্যে বাধলেও এখানে সারা মিয়ানমারের লোকজন মূলত রাখাইনদের প অবলম্বন করেছে। আমার কিছু মিয়ানমার ফ্রেন্ডদের দেখছি ওরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের ভাষায়, রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিক, তারা মিয়ানমারে এসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে, তারা রাখাইন দের ২০ টি গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে ৃ ইত্যাদি, ইত্যাদি। অপরদিকে, রোহিঙ্গারা অবহেলিত অশিতি জনগোষ্ঠী; তাদের পে কথা বলার লোকের খুব অভাব, আমরা এবিষয়ে তাদের কিছুটা সাহায্য করতে পারি। অনলাইনে আমরা সত্য ঘটনাটি সবার সাঝে ছড়িয়ে দিই। আর মানুষ মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে তাদের কে বুঝানো চেষ্টা করি। হয় তো আমাদের এই ক্ষুদ্রপ্রয়াস একটি সফলতা এনে দিতে পারেন।
মানুষ মানুষের জন্য
সিবিএনবিডি.কম এর এক সংবাদে জানা যাচ্ছে খালি নৌকায় পাওয়া এক রোহিঙ্গা শিশুর কথা!
সীমান্তবর্তী নাফ নদীতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের একটি নৌকা থেকে একটি শিশুকে উদ্ধার করেছে বিজিবি সদস্যরা। শিশুটিকে একটি খালি নৌকা থেকে উদ্ধার করা হয়। মাত্র দেড় মাস বয়সী হতভাগ্য মেয়ে শিশুটিকে টেকনাফের একটি বাংলাদেশী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেই পরিবারের সদস্যরাই শিশুটিকে দেখভাল করছে। তবে শিশুটি ভয়াাবহ রকমের অসুস্থ ও ভগ্ন স্বাস্থ্যের বলে জানিয়েন পরিবারটি।

এই বাংলাদেশী পরিবারের প্রচেষ্টা কেবল একটি শিশুকে নয়, যেন বিপন্ন মানবতাকে বাঁচানোর চেষ্টা, বেঁচে থাকা এই পৃথিবীর জন্য যার খুব জরুরী।

মানুষ মানুষের জন্য এটা যেন আমরা ভুলে না যাই!।

রোহঙ্গিা সমস্যাটা পাক খেেয় খেেয় বাংলাদশেকে কোন না কোনভাবইে জড়েিয় রাখছ।ে রোহঙ্গিাদরে আবাসভূমি আরাকান বাংলাদশে সীমান্ত সংলগ্ন বলইে যে অবস্থাটা এমন হচ্ছে তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন পড়ে না। এ সমস্যাটা বাংলাদশেকে নানাভাবে বব্রিত অবস্থায় নেিপ করছ।ে এরা এখন স্বদশে ভূমেিত পরবাসী। তারা একটা জাতেিগাষ্ঠী। তাদরে ইতহিাস স্বীকৃত হাজার বছররে নজিস্ব ভূমওি আছ।ে কন্তিু এখন তাদরেকে সইে ভূমি থেেক বঞ্চতি করা হচ্ছ।ে তারা বশ্েিব এখন র্সবাধকি নগিৃহীত জাতেিগাষ্ঠী হসিেেব ববিচেতি। তারা ন্যূনতম মানবাধকিার বঞ্চতি। তাদরে সমস্যা নতিান্তই মানবকি সমস্যা এবং মানবকি সমস্যা এমন একটা ব্যাপার যা সমগ্র মানব জাতরি সমস্যা হসিবেইে ববিচেতি হয় এবং এটাকে উপাে করে নর্লিপ্তি থাকাটা অমানবকি কাজ হসিেেব গণ্য হয়। তাই রোহঙ্গিাদরে সমস্যার ব্যাপারে তাদরে কাছরে কম্বিা দূররে কউে নর্লিপ্তি থাকতে পারছে না। তাদরে সমস্যা কবেল ময়িানমাররে জাতগিত সমস্যা মাত্র নয়, এটি ময়িানমাররে গণতন্ত্ররে সমস্যারও অংশ।

  • সূত্রঃ
     বিবিসি
     সিএনএন
     উকিপিডিয়া

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস
সম্পাদক- দৈনিক আমাদের নাঙ্গরকোট
সভাপতি- সবুজ দিগন্ত বাংলাদেশ
০১৯৩০-১০৬২৬৩

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: