শৈলকুপায় এসও আশরাফুল লাখ টাকার সরকারী গাছ বিক্রি করে পকেটস্থ করলেন | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

শৈলকুপায় এসও আশরাফুল লাখ টাকার সরকারী গাছ বিক্রি করে পকেটস্থ করলেন

1 June 2017, 6:24:40

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় প্রায় ১ লাখ টাকার সরকারী গাছ গোপনে বিক্রি করে দিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম। কোন রকম টেন্ডার, নোটিশ, নিলাম ছাড়াই সেচ খালের দুধারের প্রায় ১ লাখ টাকার বাবলা ও মেহগনি গাছ বিক্রি করে দেন তিনি। এর আগেও তিনি সেচ খালের অংশ থেকে ৯০ হাজার টাকার কাঁঠাল ও বাবলা গাছ বিক্রি করেন। যার এক টাকাও সরকারী কোষাগারে জমা পড়েনি।

সরেজমিন দেখা গেছে, শৈলকুপার ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের চর ধলহরা সেচ খালের সংস্কার করা হচ্ছে। আর সংস্কারের অজুহাতে বিনা টেন্ডারে এসব গাছ বিক্রি করে দিচ্ছেন এস ও আশরাফুল। বিষয়টি নিয়ে শাখা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, যার যার গাছ সেই সেই কেটে নিয়েছে। কারো কাছে বিক্রি করা হয়নি। ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুকুলে কোন টাকা জমা হয়নি বলেও তিনি জানান। কিন্তু সরেজমিনে গেলে এসও আশরাফুলের সব কথাই মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়।

গ্রামবাসির অভিযোগ বড়িয়া গ্রামের একটি সমিতির নামে সেচ খালের এ সব গাছ বিক্রি করে টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়েছে। চরধলহরা গ্রামের রবিউল ইসলাম, ইমদাদুল সহ সেখানে উপস্থিত অনেকেই বলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তার নির্দেশে গাছ বিক্রি হয়েছে। তিনিই সে গাছের টাকা ভাগ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল লতিফ জানান, আমি সন্ত্রাসীদের ভয়ে ৩ বছর অফিসে যায়নি। তাই সেখানে কি হচ্ছে বলতে পারবো না।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: