১৯৬ সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে দেড় কোটি টাকা অনুদান | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

১৯৬ সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে দেড় কোটি টাকা অনুদান

25 August 2016, 1:48:56

বুধবার (২৪ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে ‘অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা ও অনুদানে’র চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনি বলেন. জাতির পিতা কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে এ সম্পর্কে অনেক কথাই লিখেছেন। সেদিক থেকে আমিও গণমাধ্যম পরিবারেরই একজন সদস্য। শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেয়নি। নিজ উদ্যোগে করেছি। এ বিষয়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম জাতির পিতার কাছ থেকে। কেননা জাতির পিতা সংবাদপত্রে কাজ করতেন।  এর আগে প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা ও অনুদানের চেক বিতরণ করেন।  অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কে এম রহমত উল্লাহ, তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ প্রমুখ। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় প্রথমবারের মতো ১৯৬ জন দুস্থ, অসুস্থ, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হলো। ২০১২ সালে সাংবাদিক সহায়তা অনুদান ও ভাতা নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার। এর আগে সাংবাদিক নেতারা তাদের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রধান দুটি দাবি তুলে ধরেন যার একটি নবম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা আর ১৯৭৪ সালে গঠিত নিউজপেপার এমপ্লয়িজ সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর পুনর্বহাল। তারা বলেন, পৃথক ওই আইনটি প্রণয়ন করে জাতির জনক সংবাদপত্র তথা সাংবাদিকতা পেশাকে মর্যাদার আসনে তুলে এনেছিলেন। ২০০৬ সালে সাংবাদিকতাকে শ্রম আইনের আওতায় ফেলে ওই মর্যাদা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তারই জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডের কথা তিনি এরই মধ্যে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে বলেছেন। তার কাছে সাংবাদিকদের চাইতে হয় না, নিজে থেকেই দেন, এই দাবি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে ‘বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট’ স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেননি কেউ দাবিও জানাননি। ওই ট্রাস্টের আওতায়ই এ বছর ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হলো। যার প্রাথমিক তহবিল গঠনে ৫ কোটি টাকার সিড মানি প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা তহবিল থেকেই দেওয়া হয়েছে। অনুদান নিতে আসা প্রত্যেক সাংবাদিক কিংবা তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাউকে কাউকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরেন। কারো কথা আগ্রহ ভরে শোনেন। এর আগে দেওয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। অনেক সংবাদপত্র, টেলিভিশনের মালিক রয়েছেন তাদের কাছে কোটি টাকা দান কোনও বিষয়ই নয়। তাদেরও আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ জন্যে প্রয়োজনে নিজেই এ ধরণের তহবিল গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন, এই ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি উপস্থিত থাকলে কেউ কম টাকার চেক নিয়ে আসতে পারবেন না। সরকারের সমালোচনা আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, যত খুশি সমালোচনা করুন, আপত্তি নেই। তবে সে সমালোচনা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে। গণমাধ্যমের সমালোচনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি যে কোনও ভুল সংশোধন করতে চাই।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: