কুমিল্লার তিতাসে গোমতীর ভাঙনে নিঃস্ব হাজার হাজার মানুষ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

কুমিল্লার তিতাসে গোমতীর ভাঙনে নিঃস্ব হাজার হাজার মানুষ

6 July 2014, 6:36:08

1404575181.

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং ভারতের ত্রিপুরার পাহাড়ী ঢলের পানির চাপে প্রমত্তা গোমতী নদীতে পানি ফুঁসে উঠেছে। দিন দিন পানি বেড়েই চলেছে। উজানের পানির প্রবল  স্রোতের তোড়ে ইতোমধ্যে গোমতীর দুই তীরে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এদিকে  কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের পশ্চিম পারের নদীর তীর ভাঙ্গতে শুরু করেছে। এর ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এখানকার চিত্র পরিবর্তন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের ভয়াবহতায় এলাকার কয়েকশ’ বসতবাড়ি, গাছ-গাছালি বিলীন হয়ে যাচ্ছে গোমতী নদীতে। ভাঙ্গনের হুমকির মুখে রয়েছে নদীর পাড়ের আরো অনেক বসতবাড়ি, কবরস্থান ও একাদিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তিতাসে গোমতির ভাঙ্গনে একের পর এক বিলীন হচ্ছে উপজেলার গোমতী পাড়ের গ্রামগুলোর বাড়িঘর, গাছপালা, রাস্তাঘাট কবরস্থান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিগত মৌসুমগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভিন্ন স্থানে ইটের ব্লক, বালির বস্তা ও বাঁশ দিয়ে বাঁধ নির্মাণ ছিল প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য।
এদিকে বর্ষার শুরুতেই টানা বৃষ্টির প্রবল বর্ষণে উজান থেকে আসা পাহাড়ী ঢলের কারণে ভাঙ্গন থামছে না। নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়ের শাহনেয়াজ মিয়ার বাড়ি হতে মোল্লা বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১কিলোমিটার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এছাড়াও আফজলকান্দি, খানেবাড়ি, গোবিন্দপুর, উত্তর ও দক্ষিণ মানিক কান্দি, ঘোষকান্দি, দাসকান্দি, হরিপুর বাজার, দুলারামপুর, দড়িকান্দি, নারায়ণপুর, হাইধরকান্দি, আসমানিয়া, নারান্দিয়া পূর্বপাড়, রসূলপুর, জিয়ারকান্দি, শোলাকান্দি ও লালপুর গ্রামের সংলগ্ন অংশেও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এ ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদী পারের মানুষগুলো। এদিকে এ ভাঙ্গন এলাকা কুমিল্লা-২ আসনের  এমপি মো. আমির হোসেন ভূইয়া, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিহা ফেরদৌসী, পিআইও সাইদুল ইসলামসহ নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করেছেন বলে তিনি ইনকিলাবকে জানান। জানা যায়, ১৯৮২ সাল থেকে সাবেক দাউদকান্দি বর্তমানে তিতাস উপজেলার বিভিন্ন অংশ ভাঙ্গা শুরু হয় যা অদ্যবধি চলমান রয়েছে। নদী পাড়ের লোকজন ভাঙ্গন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান কর্তৃপক্ষের কাছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: