নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ নাঙ্গলকোট পেরিয়া ইউনিয়ন প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটির আত্মপ্রকাশ ও হতদরিদ্রের মাঝে অনুদান প্রদান ◈ এইচএসসি শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ◈ খোসার পাড় প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত ◈ CJN প্রবাসী কল্যাণ ফোরামের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন

ব্যয় ধরা হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা....

নাঙ্গলকোট মডেল মসজিদ নির্মাণে অনিয়ম!

23 June 2020, 12:07:15

অনলাইন ডেস্ক:
সারাদেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় একটি মডেল মসজিদ নির্মাণের বরাদ্দ আসে। যার ব্যায় ধরা হয় ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। মসজিদটির নির্মাণ কাজ পান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাহের ট্রেডার্স এন্ড জেবির মালিক ও লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল কাশেম। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা মসজিদ ও মসজিদের পুকুরে মধ্যে নির্মাণ কাজ শুরু করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

কাজের শুরু থেকেই নানা অনিয়ম দূণীর্তি অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রভাবশালি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে । সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে রোদে বৃষ্টিতে ভেজা মরিচা পড়া রড, নিম্নমানের মরা পাথর, স্থানীয়ভাবে উত্তেলনকৃত ড্রেজারের বালু দিয়ে কাজ করছেন শ্রমিকরা।

উপজেলার একাধিক লোকে জানা যায়, কাজের শুরুতে পাইলিং না করে কাদামাটি ভরা পুকুরে বেজমেন্টের ঢালাই দেয়। নিম্নমানের মরা পাথর, মাটি মিশ্রিত স্থানীয় ভাবে ড্রেজারের বালু রয়েছে। নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যাবহারের ফলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগে মসজিদটি হেলে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।
সিডিউল মানছেননা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। করোনার লকডাউনের সময় গণপূর্ত বিভাগের কোন তদারকি না থাকায় তড়িঘড়ি করে লিন্টার গুলো ঢালাই দেয়। এতে অনেক স্থানে পুরাতন রড ব্যাবহারের অভিযোগ উঠে।

এ বিষয়ে কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা  কোটবাড়ী গণপূর্ত  উপ-বিভাগের প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, লকডাউনের সময় আমি না থাকায় কিছুটা অনিয়ম হয়েছে। এখানে কোন খারাপ কাজ হচ্ছেনা। আপনারা সাংবাদিকরা পারলে কাজ বন্ধ করে দেন। অভিযুক্ত ঠিকাদার আবুল কাশেম বলেন, আমার কোন অনিয়ম হলে আপনারা গণপূর্ত বিভাগে অভিযোগ করে কাজ বন্ধ করে দেন। নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, আমি গণপূর্তের প্রকৌশলীকে ডেকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x