আজ নাঙ্গলকোট হানাদার মুক্ত দিবস | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ আজ নাঙ্গলকোট হানাদার মুক্ত দিবস ◈ নাঙ্গলকোটে এলিভেন গ্রুপের উদ্যোগে সিপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ৪র্থ তম আসর উদ্বোধন  ◈ এক অসহায় মায়ের আর্তনাদ আর বাবার বুকে জমে থাকা কষ্ট! (পর্ব-১) ◈ বঙ্গবন্ধুর বাংলায় সাম্প্রদায়িক-ধর্মান্ধ-মৌলবাদী অপশক্তির পরাজয় হবেই ◈ জনদরদি মরহুম এডভোকেট আবদুল গফুর মজুমদারের স্মরণে দোয়া মাহফিল ◈ ইতিহাস সৃষ্টিকারী খেলার আয়োজন করলো একঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুণ ◈ নাঙ্গলকোট উপজেলা আনসার ভিডিপি সদস্যদের সার্টিফিকেট প্রধান করা হয় । ◈ বাইয়ারা ফ্রেন্ডস ক্লাব কতৃক ২০০ মানুষের ফ্রী ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় অনুষ্ঠান করা হয়েছে ◈ নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সফল সেক্রেটারির পিতার কবর জেয়ারত ◈ নাঙ্গলকোট রাইটার্স এসোসিয়েশন এর সাবেক সেক্রেটারির পিতার কবর জেয়ারত

আজ নাঙ্গলকোট হানাদার মুক্ত দিবস

11 December 2020, 1:00:49

 

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস||

আজ ১১ ডিসেম্বর কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এ দিনে এ অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও জনসাধারণের তুমুল প্রতিরোধের মুখে নাঙ্গলকোট এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনী বিতাড়িত হয়।

 

উপজেলা প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ দিবসটি উপলক্ষে বিগত দিন গুলোতে ব্যাপক কর্মসূচী পালন করলেও করোনার কারণে এ বছর সংক্ষিপ্ত কিছু কর্মসূচী পালন করবে বলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সূত্রে জানা গেছে।

 

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জুলাই মাসের প্রথম দিকে পাক হানাদার বাহিনী উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট ব্রীজ সংলগ্ন ভূঁইয়া পুকুর পাড় এলাকাকে মিনি ক্যান্টেমেন্টে পরিণত করে। স্থানীয় রাজাকার, আলবদরের সহযোগিতায় অনেক মুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ কয়েক‘শ লোকজনকে ধরে নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করে পাশ্ববর্তী ডাকাতিয়া নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিতেন। অনেক নারী পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়েছেন।

 

এছাড়া নাঙ্গলকোট উপজেলাসদরসহ মৌকারা ইউনিয়ন বড় দীঘির পাড়, ঢালুয়া ইউনিয়নের হাসানপুর রেলস্টেশন এবং তেজেরবাজার এলাকায়ও পাকহানাদার বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাসহ নিরীহ মানুষের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়।

২০০৬ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ দলীয় সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া পাকহানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাকান্ডের নিরব স্বাক্ষী ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের পরিকোট নামক স্থানে বধ্যভূমির একটি নামফলক উন্মোচন করেন। গত ১৫বছরেও সরকারিভাবে পরিকোট বধ্যভূমির স্থানটি সংরক্ষণে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া অন্যান্য এলাকাগুলোও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুল বলেন, পরিকোট বধ্যভূমি সংরক্ষেণ উদ্যোগ নেয়া হবে। ইতিমধ্যে হেসাখাল ইউনিয়নের দু‘জন এবং বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কবর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x