কুমিল্লার তিতাসে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ নাঙ্গলকোটে নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, টাকা দিয়ে সমঝোতার চেষ্টা অতঃপর থানায় মামলা ◈ কুমিল্লায় মাদ্রাসার কম্বলের নিচ থেকে শিশুর মরোদেহ উদ্ধার, মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ ◈ কুমিল্লার তিতাসে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ ◈ বাঙ্গড্ডায় সন্দেহ হওয়ায় পরিচয় জানতে চাইলে পিকআপ ভ্যান রেখে চালক উধাও ◈ ইটভাটার কালোধোঁয়ায় নাঙ্গলকোটে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি ◈ ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেল হারিয়ে যাওয়া শারমিনের ◈ কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল ছাত্রের প্রাইভেটকার চাপায় মৃত্যু ◈ সেবাই আমার কর্ম, মোঃ হেলাল উদ্দিন ভূইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে নিজ ঠিকানায় ফিরে যেতে চায় শারমিন ◈ কুমিল্লায় সিজার করার ৫মাস পর পেট থেকে বের করা হলো গজ

কুমিল্লার তিতাসে সংখ্যালঘু পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

11 April 2021, 5:42:02

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস প্রতিনিধি:-

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মাছিমপুর গ্রামে সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ করা হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১ টায় মাছিমপুর বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

উক্ত সংবাদ সম্মেলন মনিন্দ্র সাহার পক্ষে এক লিখিত বক্তব্যে তার ভাই ভজন সাহা বলেন, কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মাছিমপুর মৌজাস্থ সাবেক ১৫২৩/২০৬৯ হালে ৩১৯৪ দাগে ২ শতক জায়গার পৈতৃকভাবে মালিক হই আমরা। কিন্তু আমরা সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের সদস্য হওয়ায় মাছিমপুর গ্রামের আঃ বাতেন প্রকাশ বাতু মিয়া জোরপূর্বক ১ শতক জায়গা দখল করে নেয়। আমরা অনেকবার জায়গা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তারা ছাড়তে রাজি নয়। এমন কি তারা গ্রাম্য বিচার শালিসও মানতে নারাজ। কয়েক বার বিচার শালিসে বসলেও কোন প্রকার লিখিত ডকুমেন্ট বা দলিলপত্র দেখাতে পারেনি। সম্পূর্ণ গায়ের জোরে তারা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। তারা আমাদেরকে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে যদি আর কোন দিন জায়গার কথা বলি কিংবা জায়গার আশেপাশে যাই, তাহলে তারা আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে হত্যা করবে। এই অবস্থায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই আমরা তিতাস উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় সাংসদ সেলিমা আহমাদ মেরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করি।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, আঃ করিম ভান্ডারী ও মনির হোসেন নামে দুই ব্যক্তির নিকট দোকান ভাড়া দিয়ে রেখেছেন বাতু।

এই দিকে আঃ বাতেন প্রকাশ বাতুকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন আমি স্ট্যাম্প দিয়ে মরহুম জবেদ আলীর কাছ থেকে ক্রয় করেছি। এই বিষয়ে মামলা চলছে বলেও তিনি জানান। তবে কোন প্রকার দলিলপত্র দেখাতে পারেন নি। এমন কি ফটোকপিও দেখাতে ব্যর্থ হন। দলিলপত্র সব আদালতে জমা আছে বলে জানান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাছিমপুর গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, এটা হিন্দুর জায়গা। অবৈধভাবে বাতু দখল করে রেখেছে। এর আগেও সে রনজিত পোদ্দার ও ইন্দ্রজিৎ মাস্টারের বাজারের জায়গা দখল করে রেখেছে। বাতু ও তার পরিবার ভূমিদস্যূ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

এই দিকে জবেদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার জায়গা এই দাগে নয়। আমারটা অন্য দাগে। আর আমার বাবা কারো কাছে কোন জায়গা বিক্রি করেননি। আমরা পূর্ব থেকেই জানি এটা হিন্দুদের জায়গা।

কাগজপত্র দেখে দেখা যায়, বিএস ফাইনাল খতিয়ান, মৃত অমর সাহা ও অনিল সাহার নামে রয়েছে। বর্তমানে তাদের ৫ ছেলে যথাক্রমে ভজন সাহা, ধনু রঞ্জন সাহা, মানিক সাহা, রতন সাহা ও মনিন্দ্র সাহা মালিক হয়ে ঐচারচর গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে মোশাররফ হোসেনের কাছে ২ মাস আগে বিক্রয় করে দিয়েছেন। কিন্তু সংখ্যালঘু পরিবারটি বাতুর বাঁধার কারণে মোশাররফ হোসেনকে দখল বুঝিয়ে দিতে পারছেন না।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x